হোটেলে কড়াকড়ি ও ভিভিআইপি নিরাপত্তা
প্রথম দফার বৈঠকের কেন্দ্রবিন্দু ‘সেরেনা’ হোটেলসহ ইসলামাবাদের অন্তত দুটি বড় হোটেলকে ইতিমধ্যে তাদের অতিথিদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিশালাকার সামরিক বিমান ‘সি-১৭ গ্লোবমাস্টার’ নূর খান বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করার পরপরই বিমানবন্দর থেকে রেড জোন পর্যন্ত সড়কগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
শহরজুড়ে বিধিনিষেধ
ইসলামাবাদ জেলা প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাজধানী শহরে সব ধরনের ভারী যানবাহন এবং গণপরিবহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মূলত আলোচনার পরিবেশ নির্বিঘ্ন করতে এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তায় ২০ হাজার সদস্য
দ্বিতীয় দফার এই ঐতিহাসিক আলোচনার নিরাপত্তায় প্রায় ২০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করছে পাকিস্তান। এর মধ্যে পাঞ্জাব প্রদেশের পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী রেঞ্জার্স, ইসলামাবাদ পুলিশ এবং সরাসরি সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশ নেবেন। পুরো রাজধানী এখন কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদিও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে একে অপরের সমালোচনা করছে, তবে মাঠপর্যায়ে পাকিস্তানের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ প্রমাণ করে যে দুই পক্ষই আলোচনার টেবিলে ফিরতে সম্মত হয়েছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।





