রাজধানীতে জ্বালানি সংকট তীব্র; ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ

জ্বালানি তেলের সংকট
জ্বালানি তেলের সংকট | ছবি: এখন টিভি
0

রাজধানীতে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা বিগত কয়েক সপ্তাহের চেয়ে যেন বেড়েছে। বেশিরভাগ পাম্পে সাধারণ গ্রাহকদের জ্বালানি পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত। ডিপো থেকে জ্বালানি পেতে বিলম্ব হওয়ায় যেন ভোগান্তি বেড়েছে আরও কয়েকগুণ। পর্যাপ্ত মজুত না পেলে অবস্থার উন্নতি দেখছেন না পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা।

ভিআইপি বিড়ম্বনায় রাজধানীর ফিলিং স্টেশন। সাধারণ গ্রাহকদের যেখানে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, সেখানে ভিআইপি রেফারেন্স মুহূর্তে পাওয়া যাচ্ছে জ্বালানি। এমন সব অভিযোগে হট্টগোলে জড়িয়ে যাচ্ছে চালক ও পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা।

অনেকে সচিবের পরিচয় দিয়ে লাইনে না দাঁড়িয়ে তেল নিয়ে যাচ্ছে এতে ভোগান্তি বাড়ছে বলে জানান তেল নিতে আসা চালকরা।

আজ (শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল) রাজধানীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে সকালের দিকে বন্ধ ছিলো জ্বালানি সরবরাহ। ডিপো থেকে জ্বালানি আসতে দেরি হওয়ায় বেড়েছে ভোগান্তি। কেউ গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে দাঁড়িয়েছেন লাইনে, রাত কাঁটিয়েছেন রাস্তায়। শেষ দেখতে চান জ্বালানি নিয়ে এ ভোগান্তির।

আরও পড়ুন:

তেল নিতে আসা একজন বলেন, ‘সারারাত থাকার পর সকালে তেল পেয়েছি। তা না হলে তো তেলই পাওয়া হতো না।’

পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া না গেলে এ সংকট থেকে মিলবে না মুক্তি। এছাড়া ব্যক্তিগত মজুত যাতে কেউ করতে না পারে সেজন্য বাড়াতে হবে তদারকি।

পেট্রোল প্রকম্পের কর্মীরা জানান, চাহিদার চেয়ে কম তেল পাওয়ার কারণে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

এদিকে, বাংলামোটরে জ্বালানি সংকট ও পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে নগরায়ণ ও উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে একটি সংলাপের আয়োজন করে আইপিডি। যেখানে সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন বক্তারা। টেকসই জ্বালানি নিশ্চিতে সরকারকে সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বানও জানান আলোচকরা।

জেআর