প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বৃত্তির নীতিমালা নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে। বৃত্তির অর্থের পরিমাণ কত হবে, কীভাবে তা প্রদান করা হবে, কতসংখ্যক শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কতসংখ্যক বৃত্তি বরাদ্দ থাকবে, এসব বিষয় পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে।’
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, ‘কীভাবে শিক্ষার্থীদের আরও বেশি উৎসাহিত করা যায়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বৃত্তি পরীক্ষা আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।’
আরও পড়ুন:
সরকার মেয়েদের শতভাগ শিক্ষার হার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে নন-ফরমাল শিক্ষাব্যবস্থায়ও নতুন উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে বৃত্তি কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আরও উৎসাহিত করতে বৃত্তি ব্যবস্থায় নতুন কিছু বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।’
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের চাহিদা ও মতামতকেও গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান তিনি।





