প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বজুড়ে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এতে ব্রেন্ট ফিউচারস ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের অনেক ওপরে উঠে যায়।
আরও পড়ুন:
রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, প্রাথমিক উৎপাদন তথ্য ও তেলের দাম ধরে দেখা যাচ্ছে, রাশিয়ার তেল উৎপাদনের ওপর খনিজ উত্তোলন কর এপ্রিলে ৩২৭ বিলিয়ন রুবল থেকে বেড়ে প্রায় ৭০০ বিলিয়ন রুবল, অর্থাৎ ৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে।
এই হিসাব রাশিয়ার জন্য আকস্মিক আর্থিক লাভের প্রথম দিককার সুনির্দিষ্ট প্রমাণগুলোর একটি। রাশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ। তেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুতর জ্বালানি সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।





