গতকাল (শনিবার, ৪ এপ্রিল) ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে অগ্নিকাণ্ডে গ্যাস লাইট কারখানা সরেজমিন পরিদর্শন করে এ তথ্য জানান তিনি। পরিদর্শনকালে তিনি অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
কারখানা পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সরাসরি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ছুটে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন দগ্ধ শ্রমিকদের শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এসময় তিনি আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আরও পড়ুন:
অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসককেও এ ঘটনার বিষয়ে পৃথক একটি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘শ্রমিকদের কল্যাণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ভাগ্য উন্নয়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কোনো শ্রমিকের জীবন যেন অবহেলার কারণে বিপন্ন না হয়, সে বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছি।’
পরিদর্শনকালে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।





