হামের সংক্রমণ নিয়ে আসা শিশুদের সারি ঢাকা শিশু হাসপাতাল, মহাখালীর বিশেষায়িত হাসপাতালে। গায়ে লাল র্যাশের সঙ্গে জ্বর, কাশিতে শিশুদের অবস্থা নাজুক। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া হাম আক্রান্তদের এমন চিত্র এখন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে।
চিকিৎসা দিতে হিমশিম অবস্থা ডাক্তার নার্সদের। বিশেষ করে হামের টিকা দেয়নি এমন রোগী বেশি সংক্রমিত হচ্ছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক চিকিৎসায় অনেকই আবার সেরেও উঠছে।
রোগীর সঙ্গে আসা স্বজনরা জানান, প্রথমে বুঝতে পারেননি হাম হয়েছে। পরবর্তীতে এলাকার হাসপাতাল থেকে হাম হয়েছে জানিয়ে ঢাকায় রেফার করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর এই রোগের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে ভর্তি আছে ৬ হাজারের কাছাকাছি রোগী। প্রতিনিয়ত মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।
আরও পড়ুন:
মহাখালীর বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক বলছেন, অভিভাবকদের সচেতনতা, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ, সঙ্গে বাচ্চাদের পুষ্টিকর খাবার এই রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।
মহাখালীর বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক কর্নেল লতিফা রহমান বলেন, ‘ভ্যাকসিন প্রোগ্রামের ব্যাপারে আমাদের অথরিটির সঙ্গে মিটিং চলছে। আমাদের দিক-নির্দেশনা আসছে। জনগণকে বলবো, সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে জনসচেতনতা তৈরি করে যদি ভ্যাকসিনগুলো বাচ্চাদের দেন এবং সহযোগিতা করেন; তাহলে দ্রুতই হামের প্রকোপ কমে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘১৮টি জেলার অধীনে ৩০টি উপজেলায় আমরা সকাল ৯টা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। তার মধ্যে ৫টি স্পটে আমরা নিজেরা সরকারের পক্ষ থেকে আমরা উপস্থিত থাকবো। ৬ মাস থেকে পাঁচ বছরের চেয়ে এক মাস কম গ্রুপটাকে আগে শুরু করছি।’
শনিবার সচিবালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্রিফিংয়ে আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের টিকা কেন্দ্র নিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, ‘জাতি যেন আতঙ্কিত না হয়।’
জুলাইতে ৬০৪ কোটি টাকার টিকা আসছে বলেও জানান মন্ত্রী।





