আজ (বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মানসুর হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণটি কেবল ইংরেজি শেখানোর জন্য নয়; বরং এটি মধ্যম পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও কূটনৈতিক যোগ্যতা বাড়ানোর একটি সমন্বিত কর্মসূচি।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘স্ট্রেংদেনিং ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি অব বিয়াম ফর কন্ডাক্টিং কোর কোর্সেস’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় গভর্ন্যান্স, ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, নেগোশিয়েশন স্কিলস, ইংরেজি দক্ষতা ও ই-গভর্ন্যান্সসহ বিভিন্ন কোর্স অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের একটি অংশ এরইমধ্যে দেশেই সম্পন্ন হয়েছে এবং পূর্বে ইতালিতেও কিছু ব্যাচের বৈদেশিক অংশ সম্পন্ন হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া, প্রশিক্ষণের অবশিষ্ট বৈদেশিক অংশ ইউরোপের পরিবর্তে এশিয়ার কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও নির্দিষ্ট কোনো স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানানো হয়। সংবাদে ‘পাতায়া’ উল্লেখ করে বিষয়টিকে পর্যটনকেন্দ্রিক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই প্রকল্পটি জাপান সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত হবে এবং এতে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই। একই সঙ্গে, প্রস্তাবটি এখনো একনেকের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়নি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিয়াম ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং একটি ইতিবাচক উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা।
এ ধরনের অসত্য সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।





