আগামী ৯ এপ্রিল রাজ্যের ১২৬ আসনে প্রথম দফায় ভোট নেয়া হবে। ভোট গণনা ৪ মে। এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) লখিমপুর জেলার ধকুয়াখানায় এক নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দেয়ার সময় শর্মা দাবি করেন, তার সরকার রাজ্যের আদিবাসীদের সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
এসময় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘যারা বাংলাদেশ থেকে এসে আসামের জমি ও ঘরবাড়ি জবরদখল করেছে, আমরা রাজনৈতিকভাবে তাদের হাত-পা ভেঙে দিয়েছি। এবার আমরা এই বাংলাদেশি ‘মিয়া’দের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দেব, যাতে তারা আর আসামের জনগণের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস না পায়।’
আরও পড়ুন:
এর আগে আসামের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, মিয়াদের দুর্ভোগে ফেলাটাই তার কর্তব্য। এমনকি ভোটার তালিকা থেকে যাতে মিয়া মুসলমানদের নাম বাদ যায় সেটি নিশ্চিত করতে বিজেপি কর্মীদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাতেও নির্দেশ দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে তার সরকার ‘‘মিয়া’’ সম্প্রদায়ের কাছ থেকে দখলমুক্ত করে ১.৫ লাখ বিঘা জমি পুনরুদ্ধার করেছে।’
মুসলমানদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটি হাইকোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর জবাব চেয়ে তলব করা হয়।
যদিও এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেই একই ধরনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায় ভারতের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট।





