
কেরালায় ইতিহাস গড়লেন মুসলিম নারী রাজনীতিক ফাতিমা তাহিলিয়া
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেরালায় ইতিহাস গড়েছেন ৩২ বছর বয়সী মুসলিম রাজনীতিবিদ ফাতিমা তাহিলিয়া। কেরালায় বামপন্থিদের দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি পেরাম্ব্রা আসনে তিনি হারিয়ে দিয়েছেন এলডিএফের প্রবীণ নেতা টিপি রামকৃষ্ণনকে। এই জয় তার দলের জন্যও একটি মাইলফলক। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) থেকে প্রথম মুসলিম নারী প্রতিনিধি হিসেবে কেরালা রাজ্য আইনসভায় গেলেন তরুণ এই নেত্রী।

নিজেদের সব বিধায়ক পদত্যাগ করবেন— থালাপতির এমন হুঁশিয়ারির কারণ কী?
ডিএমকে ও এআইএডিএমকে সরকার গঠনের চেষ্টা করলে নিজেদের সব বিধায়ক পদত্যাগ করবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিলো থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে। টিভিকে প্রয়োজনীয় ১১৮ বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত না করায় রাজ্য সরকার গঠন নিয়ে তামিলনাড়ুতে চরম রাজনৈতিক সংকট দেখা দিলো। এই পরিস্থিতিকে জটিল সংকট উল্লেখ করে ১০ মে পর্যন্ত নিজেদের সব বিধায়ককে চেন্নাইয়ে অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছে ডিএমকে।

মুখ্যমন্ত্রী নির্ধারণে পশ্চিমবঙ্গে অমিত শাহ
মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা ঠিক করতে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ (শুক্রবার, ৮ মে) সকালেই পশ্চিমবঙ্গে এসে এ বিষয়ে বিকেল ৩টায় ২০৭ বিধায়ককে নিয়ে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বৈঠকে বসবেন তিনি। অন্যদিকে আগামীকাল (শনিবার, ৯ মে) ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও বিধায়কদের শপথ গ্রহণে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নিরপাত্তা বলয়ও।

‘নিষিদ্ধের সংস্কৃতি’ বন্ধ ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের দাবি জানিয়ে বিজেপিকে দেবের অভিনন্দন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয়ের পর নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন টলিউড সুপারস্টার ও তৃণমূল কনগ্রেসের ঘাটালের বিদায়ী সংসদ সদস্য দীপক অধিকারী (দেব)। আজ (বুধবার, ৬ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া বার্তায় তিনি নতুন সরকারের প্রতি রাজ্যের উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখার পাশাপাশি চলচ্চিত্র শিল্পের অভ্যন্তরে বিরাজমান ‘নিষিদ্ধকরণ’ (ব্যান) বা বয়কট সংস্কৃতি বন্ধের আহ্বান জানান।

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়; ভাঙছে দীর্ঘদিনের কংগ্রেস-ডিএমকে জোট
রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসের সমর্থনে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে থালাপতি বিজয়। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে এখনো ১০টি আসন প্রয়োজন থালাপতির টিভিকে দলের। সেটি পূরণে শর্ত সাপেক্ষে পাঁচটি আসন টিভিকে দলের জন্য ছেড়ে দিয়েছে কংগ্রেস। এই পদক্ষেপে ভেঙে গেল দীর্ঘদিনের কংগ্রেস-ডিএমকে জোট। আগামী ৭ মে বৈঠকে চূড়ান্ত হবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম। এর মধ্য দিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে।

ক্ষমতার সিঁড়ি যখন বিজেপি: যেভাবে ‘দিদি’ মমতাসহ ৬ মুখ্যমন্ত্রীর পতন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় তার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এটি এক ঐতিহাসিক পরিহাস। কারণ ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর বিজেপির হাত ধরেই প্রথম নির্বাচনি বৈতরণি পার হয়েছিলেন মমতা। তবে মমতা একা নন, ভারতের অন্তত ছয়জন প্রভাবশালী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সঙ্গে জোট করে ক্ষমতায় আরোহণ করলেও, শেষ পর্যন্ত সেই বিজেপির হাতেই ক্ষমতা হারিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আধিপত্য; নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে কোন পথে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক?
পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ও বাঙালির দল হিসেবে পরিচিত তৃণমূল কংগ্রেস এবার ধরাশায়ী হলো বিজেপির কাছে। প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে মোদি সরকার। পানি বন্টন, অনুপ্রবেশ, সংখ্যালঘু নির্যাতন, পুশইন, সীমান্ত ইস্যুতে ভারত-বাংলাদেশ বিতর্ক নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি আসামের বিজেপি নেতার ‘পুশইন’ মন্তব্য নিয়ে দুই দেশের উত্তেজনা বেড়েছে। এবার এই দুই রাজ্যেই বিজেপির আধিপত্য। কোন দিকে যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তা নিয়েও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

‘জয়ে উদার হও, হারে রুখে দাঁড়াও’— আমরাও সেটাই করবো: তৃণমূল নেতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ফল ঘোষণার দিনে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের প্রার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজ (সোমবার, ৪ মে) দলের সিনিয়র সংসদ সৌগত রায় বলেছেন, আমাদের লোকেরা প্রতিরোধ করবে। এছাড়া চার্চিলের একটি উক্তি উদ্ধৃতি করে তিনি বলেন, ‘জয়ের সময় উদার হও, হেরে গেলে রুখে দাঁড়াও— আমরাও সেটাই করবো। তাছাড়া এতে এত বিচলিত হওয়ার কিছু নেই।’

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ১৮২ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিজেপি।

আসামে ১২৬, কেরালায় ১৪০, তামিলনাড়ুতে ২৩৪, পুদুচেরিতে ৩০ আসনের ফলাফল ঘোষণা
কেরালায় মোট আসন ১৪০, সরকার গড়তে প্রয়োজন ৭১ আসন। এই রাজ্যটিতে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট; (ইউডিএফ) ১০২ আসনে এগিয়ে রয়েছে। সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট ‘লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’ (এলডিএফ) ৩৫ আসনে এগিয়ে আছে, অন্যরা এগিয়ে আছে তিন আসনে।

রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ঘাসফুল শিবির
১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

সূর্যাস্তের পরে জিতবেন, ওয়েট অ্যান্ড সি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি ১৯০ আসনে এগিয়ে। এ অবস্থায় দলীয় নেতাকর্মী ও কাউন্টিং এজেন্টদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, নিজেদের এগিয়ে থাকার ফলাফল আগে প্রকাশ করাটা বিজেপির একটি চাল।