একে একে এগিয়ে আসছে অত্যাধুনিক সব ট্যাঙ্ক, স্বয়ংক্রিয় রকেট লাঞ্চার, স্বনিয়ন্ত্রিত কামান আর গোলন্দাজের রাডার বহর আর বিমানবিধ্বংসী অত্যাধুনিক মেশিন গান আর শত্রু জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল।
আকাশে উড়ছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মিগ-২৯। নির্ভুল নিশানায় আঘাত হানছে শত্রু শিবিরে। তাকে সঙ্গ দিচ্ছে অন্যান্য সব যুদ্ধবিমান। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ইউনিট। এমন দৃশ্য দেখে মনে হবে এ যেন সত্যিকারের যুদ্ধ। মহান স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে এভাবেই বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতার প্রকাশ করে সম্মিলিত সশস্ত্র বাহিনী।
সকাল ১০টার কিছু আগে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হাজির হন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এসময় তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে কুচকাওয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন অশ্বারোহী ক্যাপ্টেন। এসময় রাষ্ট্রপতি পুরো প্যারেড গ্রাউন্ড পরিদর্শন করেন। অংশগ্রহণকারী সব ইউনিটের সালাম গ্রহণ করেন তিনি।
এরপর শুরু হয় সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর নান্দনিক পরিবেশনা। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন ইউনিটের সুসজ্জিত পরিবেশনা। এসময় রাষ্ট্রপতি প্রতিটি ইউনিটের সালাম গ্রহণ করেন। দর্শক সারিতে বর্ণিল এই পরিবেশনা উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আরও পড়ুন:
এসময় সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের প্যারা ট্রুপাররা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পতাকা নিয়ে ভূমিতে অবতরণ করেন।
পরে শুরু হয় বিমান বাহিনীর পরিবেশনা। বর্ণিল ধোঁয়া ছেড়ে নান্দনিক সব ডিসপ্লে পরিবেশন করে তারা। এসময় বিস্তীর্ণ আকাশের ক্যানভাস জুড়ে তৈরি হয় এক নান্দনিক আবহ। ফুটে ওঠে আকাশ পথে বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতাও।





