ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানির দাম, পাকিস্তানেও স্কুল বন্ধের ঘোষণা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও ফুয়েল স্টেশনে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও ফুয়েল স্টেশনে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন | ছবি: সংগৃহীত
0

বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় হুমকির মুখে বৈশ্বিক অর্থনীতি। পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের সব স্কুল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। সোমবার রাতে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ ঘোষণা দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। আর কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বেড়ে গেছে তেলের দাম। যা পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি। কারণ দেশটির জ্বালানির বেশিরভাগই আমদানি নির্ভর।

পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশের সব স্কুল দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন ক্লাসের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সরকারি অফিসগুলোতে সপ্তাহে চার দিন খোলা থাকবে এবং জরুরি সেবা বাদে সরকারি-বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কর্মীকে হোম অফিস করতে হবে। সরকারি দপ্তরে জ্বালানি ব্যবহারের ওপরও ৫০% কাটছাঁট, সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে আনাসহ মন্ত্রীদের বিদেশ ভ্রমণেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

সরকারি মন্ত্রীদের দুই মাসের বেতন না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ মনে করছেন, এই পদক্ষেপগুলো সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয়। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্কুল বন্ধ হওয়ায় পুরো বাজার ফাঁকা হয়ে গেছে। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

একই পথে হাঁটছে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড। জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে দেশদুটি। এর মধ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের হোম অফিস করানো, অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানি করা অনেক পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে ভিয়েতনাম।

এএইচ