এসময় স্থানীয় এক সাংবাদিক প্রশ্ন তুলেন— সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় সরকার মব নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ কি-না?
উত্তরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মবের এ সংবাদটা ঠিক নয়, সবকিছুকে আমরা মব বলবো কেনো? কিছু কিছু আছে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। মব যেটা সড়কে দেখা যায়, আমরা সেটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবো। কিছু জিনিস আছে, একটা নির্ধারিত ক্রাইমের ডেফিনেশনের মধ্যে পড়ে। হয়তো কাউকে ডিটেইন করে কেউ টর্চার করেছে। এটা মব নয়, এটা একটা নির্ধারিত ক্রাইম।’
তিনি বলেন, ‘তবে আমরা বাংলাদেশে মব কালচারকে কখনো আর এগোতে দেবো না। এটা বন্ধ করতে হবে এবং এটা বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হবে ইন শা আল্লাহ।’
আরও পড়ুন:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এর পেছনে ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা না কি অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অপরাধ অনুসারে এর বিচার নিশ্চিত হবে।’
এদিকে কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, ‘কোনো সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী বা সংঘবদ্ধ ক্রিমিনালকে ছাড় দেয়া হবে না। গতকাল (রোববার, ৮ মার্চ) রাতে এবং আজকেও চট্টগ্রামে একটি বড় ধরনের যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সুশাসন নিশ্চিত করতে এ কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি সন্ত্রাসীদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন:
ভারতে আটক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে যে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে, সে মোতাবেক তাদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠাতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। অপরাধীদের ফিরিয়ে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।’
মাদক ও অপরাধমুক্ত কক্সবাজার
মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে মন্ত্রী বলেন, ‘কক্সবাজার-টেকনাফ রুট দিয়ে মাদক চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে আমাদের এ রুটগুলোকে কঠোর নজরদারিতে আনতে হবে।’
এছাড়াও শহরজুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।





