ম. ম. সিদ্দিক মিঞা ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক। আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) সংসদীয় আসনে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে সিদ্দিক মিয়াকে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে। পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
গতকাল (রোববার, ৮ মার্চ) জেলমুক্তির পর তাকে স্বাগত জানান ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল। এসময় তারা একে অপরকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন। কারামুক্তির পর সিদ্দিক মিঞা বলেছেন, ‘আমার জেল মুক্তির জন্য নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আমরা ভাঙ্গার ইউনিয়ন রক্ষার আন্দোলনে গ্রেপ্তারকৃত আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সবাইকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিদ্দিক চেয়ারম্যান মুক্ত হলো। আমি নিজে জেলগেটে থেকে তাকে রিসিভ করলাম।
প্রসঙ্গত, ভাঙ্গা উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-৪ থেকে কেটে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন ৪ সেপ্টেম্বর গেজেটে প্রকাশ করেছিল। স্থানীয়রা এ সিদ্ধান্ত মেনে নেননি এবং দুই দফায় চার দিন মহাসড়ক অবরোধসহ আন্দোলন চালান। আলগী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞা ছিলেন আন্দোলনের নেতৃত্বে। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে ওই দুই ইউনিয়ন পুনরায় ফরিদপুর-৪ আসনে ফিরে আসে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা শেষ নির্বাচনে সেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।





