লিওনেল মেসি আর বার্সেলোনা সম্পর্কটা যেন হরিহর আত্মা। তবে ২১ বছরের সেই সম্পর্কে ছেদ পড়ে ক্লাবের অর্থনৈতিক জটিলতায়। অশ্রুসিক্ত চোখে-ভগ্ন হৃদয়ে বার্সা ছাড়েন লিওনেল মেসি। পরে বার্সেলোনা ছেড়ে ফ্রান্সের ক্লাব পিএসজি, সেখান থেকে ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেয়ার তিন বছর হওয়ার পথে এলএমটেন।
অথচ এ সময়টায় তিনি থাকতে পারতেন তার প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনায়। এমন কথা শুনে মেসি ও বার্সার সমর্থকরা কিছুটা চমকে উঠতে পারেন। তবে এটাই নাকি সত্য! মেসি-বার্সার পুনর্মিলনীতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান ক্লাব সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা। ক্লাবটির সাবেক কোচ ও লিওনেল মেসির দীর্ঘদিনের সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজের এক সাক্ষাৎকারে প্রকাশ পেয়েছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আরও পড়ুন:
২০২৩ সালের জুনে পিএসজির সঙ্গে চুক্তি শেষ হয় মেসির। সে বছরই বার্সেলোনার ফেরার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন বিশ্বকাপজয়ী এ ফুটবলার। জাভি হার্নান্দেজ ছিলেন কোচের পদে বহাল। শুরুর যোগাযোগটা তার মাধ্যমেই। নিজের প্রিয় ঠিকানায় ফিরতে উদগ্রীব ছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকরও। পরবর্তীতে আলাপ এগোলে শুরুতে মত দিলেও পরবর্তীতে মেসিকে ফেরানোর ব্যাপারে লাপোর্তা নিজের সিদ্ধান্ত বদল করেন।
জাভি বলেন, ‘চুক্তির প্রক্রিয়া দারুণভাবে শেষ হওয়ার পথে ছিল। তবে বেতনসংক্রান্ত ঝামেলার কথা বলে মেসিকে ক্লাবে ফেরাতে চাননি ক্লাব সভাপতি লাপোর্তা।’
জাভি মনে করেন, ক্লাবে নিজের প্রভাব কমে আসবে এমন আশঙ্কা থেকেই লাপোর্তা ও তার দল ক্লাব ইতিহাসের সেরা ফুটবলারকে ফেরাতে চায়নি।
লাপোর্তার বিরুদ্ধে জাভি এ অভিযোগ আনলেন বার্সেলোনার সভাপতি পদে নির্বাচনের সপ্তাহখানেক আগে। আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে সভাপতি নির্বাচন। যেখানে লাপোর্তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন ভিক্টর ফন্ট। এখন দেখার বিষয় ক্লাবের সাবেক খেলোয়াড় এবং কোচের এমন গুরুতর অভিযোগে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়ে কিনা।





