একনজরে বাজারে নতুন নোটের অতিরিক্ত দাম (Table of Extra Charges)
নোটের মান (Note Value) বান্ডিল প্রতি বাড়তি দাম (Extra Charge) ১০ টাকা (জুলাই গ্রাফিতি) ৫৫০ - ৭০০ টাকা ২০ টাকা ৫০০ টাকা ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকা ৫০০ - ৬০০ টাকা ২ ও ৫ টাকা ২০০ - ৩০০ টাকা
আরও পড়ুন:
বাজারে নতুন নোটের আকাশচুম্বী দাম (Price Hike of New Notes)
গুলিস্তান ও মতিঝিলের অস্থায়ী বাজারগুলোতে দেখা গেছে, ১০ টাকার প্রতি বান্ডিলের (১০০টি নোট) জন্য বাড়তি ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। অর্থাৎ ১০০০ টাকার নোটের বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ থেকে ১৭০০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, জুলাইয়ের গ্রাফিতি (July Graffiti) সংবলিত ১০ টাকার নোটের বিশেষ চাহিদার কারণে দাম বেড়েছে।
অন্যান্য নোটের দরদাম:
- ২০ টাকার বান্ডিল: বাড়তি ৫০০ টাকা।
- ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকার বান্ডিল: বাড়তি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা।
- ২ ও ৫ টাকার বান্ডিল: বাড়তি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা।
নতুন টাকা সংগ্রহের প্রধান লোকেশন ও ঠিকানা
আরও পড়ুন:
কেন দাম বাড়ছে? (Reasons for Price Hike)
বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে নতুন নোটের সরবরাহ (Supply of New Notes) কম থাকায় তাদেরও চড়া দামে সংগ্রহ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, কাগজ সরবরাহে সমস্যার কারণে নতুন নোট ছাপানোর গতি কিছুটা কমেছে। এছাড়া সরকারের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো ক্যাশলেস বাংলাদেশ (Cashless Bangladesh) গড়ে তোলা, যার ফলে ডিজিটাল লেনদেনকে (Digital Transaction) উৎসাহিত করা হচ্ছে।
কোন নোটের চাহিদা বেশি? (Most Demanded Notes)
জাকাত-ফিতরা দেওয়ার জন্য ক্রেতারা সাধারণত ৫০, ১০০ ও ২০০ টাকার নোট বেশি খোঁজেন। তবে ঈদ সালামির জন্য ২, ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোটের কদর সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে জুলাই গ্রাফিতিযুক্ত ১০ টাকার নতুন নোট সংগ্রহের জন্য মানুষ ভিড় করছেন।
সতর্কবার্তা: বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে তারা এবার কোনো নতুন নোট সরবরাহ করবে না। তাই খোলা বাজার থেকে টাকা কেনার সময় প্রতারণা ও জাল নোট (Fake Notes) সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
ঈদের নতুন নোটের বাজারদর ও চাহিদার চিত্র (২০২৬)
একনজরে বাংলাদেশের কাগুজে নোটের ইতিহাস




