মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন, বিলম্ব বা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীসেবা নিশ্চিতকরণ ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ট্রাভেল এজেন্সি ও আকাশপথের যাত্রী সাধারণের জন্য নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করা হলো-
ট্রাভেল এজেন্সির জন্য নির্দেশনা
১. সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে যাত্রীদের সঠিক ও আপডেট তথ্য প্রদান করতে হবে।
২. যাত্রীদের অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি এড়াতে যাচাইকৃত তথ্য ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করা যাবে না।
৩. রি-ইস্যু, রিভ্যালিডেশন, রিফান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. ভিসা বা আকামা সংক্রান্ত সমস্যায় যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য সরবরাহ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
৫. অতিরিক্ত চার্জ আরোপ না করে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যাত্রীদের সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।
৬. প্রয়োজনে ২৪/৭ জরুরি যোগাযোগ নম্বর চালু রাখতে হবে।
৭. দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে হবে।
যাত্রীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়
১. ধৈর্য ধারণ করুন এবং যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।
২. ভ্রমণ সংক্রান্ত সবশেষ তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন বা ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।
আরও পড়ুন:
৩. ভিসা বা আকামা সংক্রান্ত সমস্যায় দ্রুত সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।
ট্রাভেল এজেন্সি ও আকাশপথের যাত্রী সাধারণের জন্য এসব নির্দেশনা ব্যাপক প্রচার ও প্রতিপালনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।




