আনোয়ার জাহিদ বলেন, ‘দাদির সঙ্গে একা বসবাস করতো পাবনার ঈশ্বরদীতে খুন হওয়া কিশোরী জামিলা খাতুন। বাবার আপন খালাতো ভাই শরিফুল ইসলামের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ধর্ষণ চেষ্টার অংশ হিসেবে জামিলার ঘরে ঢুকতে চায় শরিফুল। এসময় বাধা দেয়ায় জামিলার দাদী ও ঘাতক শরিফুলের খালা বৃদ্ধা সুফিয়া খাতুনকে হত্যা করে। এরপর জামিলাকে বাড়ির পাশের সরিষা ক্ষেতে নিয়ে যায় শরিফুল।’
ঘাতক শরিফুল ইসলাম (৩৫) ঈশ্বরদীর কালিকাপুরের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে এবং নিহত সুফিয়া খাতুনের বড় বোন কুরশি খাতুনের ছেলে। পেশায় ট্রাক চালক এবং মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
আরও পড়ুন:
তিনি জানান, প্রতিবেশীর তথ্যের ভিত্তিতে তাকে প্রাথমিকভাবে আটক করা। পরে জিজ্ঞাসাবাদ সে হত্যার কথা স্বীকার করে। এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাদ আসর তাদের ভবানীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ঘাতক শরিফুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
আরও পড়ুন:
এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে গত শনিবার মধ্যরাতেই ঈশ্বরদী থানায় অজ্ঞাত আসামিদের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এর আগে শনিবার সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া এলাকা থেকে দাদীর মরদেহ বাড়ির গেটে এবং নাতনীর মরদেহ বাড়ির পাশের সরিষার ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।





