ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমীনুজ্জামান জানান, নিহত বৃদ্ধা দাদি সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে গত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, যেহেতু এই ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর, সেহেতু মামলার তদন্তভার দেয়া হয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।
এদিকে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে গতকাল রাব্বি মন্ডল ও শরিফুল ইসলাম নামে দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদে জোড়া হত্যার ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। খুব শিগগির মামলার রহস্য উদঘাটন হবে বলেও জানিয়েছেন ওসি মমীনুজ্জামান।
আরও পড়ুন:
গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতের পর ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সকালে বাড়ির উঠানে দাদি সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এসময় জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষা খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও মরদেহ উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মো. শামীম হোসেন ও পাবনার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেসময় তারা খুব দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও হত্যার রহস্য উদঘাটনের আশ্বাস দেন।





