সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্যা, অতিবৃষ্টি, খরা, তীব্র তাপপ্রবাহসহ চরম আবহাওয়ার কারণে বিভিন্ন দুর্যোগের মুখে পড়ছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। ২০২৪ সালে দক্ষিণ ব্রাজিলে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারায় দুই শতাধিক মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ২০ লাখের বেশি বাসিন্দা। যা দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি। বিশেষজ্ঞরা এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন।
দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলে মঙ্গলবার টানা প্রবল বৃষ্টিতে দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা। সেইসঙ্গে ভূমিধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। মাটি ও কাদার নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছে বহু মানুষ। এখনো নিখোঁজ বেশ কয়েকজন। দুই শতাধিক বাসিন্দাকে উদ্ধার করেছে দমকলবাহিনীর কর্মীরা।
আরও পড়ুন:
নদীর তীর ভেঙে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট। এছাড়া, কাদার স্রোত ও পাহাড় ধসে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে অনেক স্থাপনা। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জুইজ ডি ফোরা শহরে, সেখানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। মানবিক সহায়তা, মৌলিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার, বাস্তুচ্যুতদের সহায়তা ও পুনর্গঠনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা।
এদিকে, প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত লাতিন অঞ্চলের আরেক দেশ পেরু। কাদার তীব্র স্রোতের সঙ্গে ভাসছে বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ। বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে বাসাবাড়িতে। হাঁটু পানিতে ভাসতে দেখা গেছে ঘরের জিনিসপত্র। আশ্রয়হীন বহু পরিবার।
আকস্মিক বন্যার সঙ্গে প্রচণ্ড কাদার স্রোতে দুর্ঘটনায় পড়েছে বহু যানবাহন। বেশ কয়েকটি অঞ্চলে পানির স্রোতে পুরোপুরি ভেসে গেছে সড়ক ও মহাসড়ক। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু অঞ্চল। ৭০০টির বেশি জেলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।





