বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা যখন নতুন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করছেন ঠিক তখন ১০ দেশের রাষ্ট্রদূত গতকাল (সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের মতো আসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে।
সকালে সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। বেলা সাড়ে ১১ টার পর প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং এর পর তিনি দেখা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে। এসময় মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এরপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশন প্রধানসহ ৯টি সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সাথে। সাক্ষাত শেষে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সরকারের সাথে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। বিগত সরকারের সংস্কার কাজগুলো বর্তমান সরকার এগিয়ে নেবে বলেও আশা তার।
আরও পড়ুন:
পরে বিদেশি এসব কুটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি জানান বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি তুলে ধরা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি যে, আমাদের মোটো হচ্ছে “বাংলাদেশ ফার্স্ট” সবার ওপরে বাংলাদেশ এবং আমরা স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, পরস্পরের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা।’
ড. খলিলুর রহমান জানান, বর্তমান সরকারের ওপর মার্কিন, চীন, ভারত, ইইউসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি যাদের সঙ্গে এ পর্যন্ত সাক্ষাৎ করেছি—সৌদি আরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে। তাদের মধ্যে আমি লক্ষ্য করেছি, এই সরকারের প্রতি তাদের বিপুল আস্থা।’
এছাড়া দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে বিভিন্ন দেশের সাথে চলমান ইস্যুগুলো সমাধানে বাংলাদেশ কাজ করবে বলেও জানান ড. খলিলুর রহমান।





