যুদ্ধবিরতির মধ্যে এবার লেবাননের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। এসব হামলায় হিজবুল্লাহ কমান্ডার ও ফিলিস্তিনি শরণার্থীসহ বেশ কয়েকজন হতাহতের শিকার হয়েছেন। তবে বরাবরের মতোই ইসরাইলের দাবি, হিজবুল্লাহ ও হামাস ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা।
এদিকে হিজবুল্লাহর দাবি, এসব হামলায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে ইসরাইল। কারণ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষ বন্ধে ২০২৪ সালের নভেম্বরে হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও একের পর এক হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল।
এরই মধ্যে পাঁচটি এলাকাও দখল করেছে ইসরাইল। ধ্বংসপ্রাপ্ত সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো পুনর্গঠনেও বাধা দিচ্ছে। পাশাপাশি হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষকে বাড়ি ফিরতে বাধা দিচ্ছে। এ অবস্থায় গত মাসে জাতিসংঘের কাছে নালিশও করেছে লেবানন।
আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের দেয়া তথ্য বলছে, যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে ১০ হাজারের বেশি বিমান ও স্থল হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এতে কমপক্ষে ১০৮ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে কমপক্ষে ২১ জন নারী এবং ১৬ জন শিশু রয়েছে।
অন্যদিকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বোর্ড অব পিস নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করছেন, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। ৪ মাসের বেশি সময়ে হত্যার শিকার ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি। পশ্চিমতীরেও দখলদারিত্বের মাত্রা বাড়ছে। ফিলিস্তিনি ভূমি দখলে করছে নতুন আইনও।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দিলেন ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি। আলজাজিরায় গতকাল (শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ইসরাইল যদি মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ অংশ দখল করে নেয়, তাহলে তিনি আপত্তি করবেন না। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের ভূমিকে ইহুদি জনগণের অধিকার হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। বাইবেলেই সেই অধিকার দেয়া আছে বলে দাবি তার।





