আবহাওয়া পরিবর্তনে হঠাৎ করে বেড়েছে ডায়রিয়া-জ্বর, সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগ। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ। সেবা দিতে হিমশিম অবস্থা নার্স ও চিকিৎসকদের।
ফরিদপুরের একমাত্র বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে শিশু রোগী। সিরিয়ালের জন্য অপেক্ষা ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন আড়াইশো থেকে তিনশোর বেশি রোগী। আন্তঃবিভাগে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট।
আরও পড়ুন:
রোগীর স্বজনরা জানান, ৮ থেকে ১০দিন পরপর জ্বর উঠছে। কোনোভাবেই ঠান্ডা জ্বর ছাড়ছে না।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকায় শিশুরাই আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। রোগ প্রতিরোধে বাড়তি সতর্ক থাকার আহ্বান চিকিৎসকদের।
ফরিদপুর ডা. জাহেদা মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. নিরঞ্জন কুমার দাস বলেন, ‘সাবধানে রাখতে হবে শিশুদের। বেশি ঘামানো যাবে না। ধুলাবালি থেকে দূরে রাখা, ঠান্ডা থেকে দূরে রাখা। আর বেশি পরিমাণে গোসল না করানো। অনেকে কিন্তু দিনে কয়েকবার গোসল করায়।’
জেলার সবগুলো হাসপাতালে সর্বচ্চো চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা সিভিল সার্জন। পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতলগুলোতেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ফরিদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘জেলা হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডাক্তার আছে। সে সঙ্গে পর্যাপ্ত ওষুধও আছে।’
অভিবাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে মৌসুমি রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।





