অভিযানে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. শাকিব হোসাইন, কুলাউড়া উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নুপুর চন্দ্র ধর, সহায়ক স্টাফরা ও র্যাব-৯ ও জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম।
অভিযানকালে কুলাউড়া উপজেলার ডাইনিং ডিলাইট রেস্টুরেন্টে বিভিন্ন অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। যার মধ্যে অন্যতম কাচ্চিতে রঙ ব্যবহার, সিংকের মধ্যে গোশত ধোলাই, মেয়াদত্তীর্ণ বান, পোড়া তেল ব্যবহার, বাসি খাবার ফ্রিজে সংরক্ষণ, রেস্তোরাঁ লাইসেন্স নাই, ফ্রিজে রান্না করা ও কাঁচা খাবার একত্রে সংরক্ষণ করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য তৈরি ও সংরক্ষণ করা, খাদ্যকর্মীদের যথাযথ পোশাক না থাকা ইত্যাদি অসংগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় ডাইনিং ডিলাইটকে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ৩৯ ধারায় তাৎক্ষণিক দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
কুলাউড়ার রাজমহল সুপারশপে অভিযানকালে বিভিন্ন অসংগতি পরিলক্ষিত হয় যেমন শিশু খাদ্যের প্যাকেটে পোকামাকড়, মেয়াদত্তীর্ণ খাদ্য পণ্য বিক্রি করা, অনুমোদনহীন কেওড়াজল বিক্রয় করা, আমদানিকারকের সীলবিহীন বিদেশি পণ্য বিক্রয় করা, বাসি মিষ্টি ও বাখরখানি বিক্রি করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য সংরক্ষণ করার ফলে রাজমহল সুপারশপকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫২ ধারায় তাৎক্ষণিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন:
পাকশী রেস্টুরেন্টে অভিযানকালে বিভিন্ন অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। যেমন পোড়া তেল ব্যবহার, রান্নাঘর অত্যন্ত নোংরা, নোংরা দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে খাদ্য পণ্য তৈরি ও সংরক্ষণ করা, ফ্রিজে পচা বাসি গ্রিল ও তরকারি একত্রে সংরক্ষণ করা, বাথরুমে সাবানের ব্যবস্থা না থাকা, আধোয়া ডিম সেদ্ধ করে রান্না করা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথকভাবে ঢাকনাসহ ডাস্টবিনের ব্যবস্থা নেই, কীটপতঙ্গ ও পোকামাকড় প্রবেশ রোধের ব্যবস্থা নেই। ফলে পাকশী রেস্টুরেন্টকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায় তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মৌলভীবাজার জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. শাকিব হোসাইন জানান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর। ভেজাল ও ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
জনস্বার্থে এ ধরণের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।





