হাটহাজারী-রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যানজট থাকলে হাটহাজারী পৌরসভার তিন নাম্বার ওয়ার্ডের আজিমপাড়া সড়কটি ব্যবহার করে ছোট ছোট যানবাহনগুলো। দীর্ঘদিন ধরেই খানাখন্দে ভরা সড়কটির দ্রুত সংস্কার চান এখানকার বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, সড়কের বেহাল দশার কারণে গাড়ি চলাফেরা করতে পারে না। আর সড়কটির সংস্কার অর্ধেক কাজ করার পর দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে নির্মাণ কাজ।
এদিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতু। দুই পাড়ে যানজট আর নিত্য দুর্ঘটনায় প্রাণহানি যেন পিছু ছাড়ে না। গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে দুই পারের মানুষের প্রাণের চাওয়া কালুরঘাট সেতু নির্মাণ ইস্যু। এবারও সংসদ নির্বাচন তার ব্যতিক্রম নয়। গত বছর মে মাসে এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা। বোয়ালখালীবাসীর চাওয়া, স্বপ্ন থেকে এ সেতু যেন এবার দৃশ্যমান হয়।
সেতু দিয়ে চলাচলাকারীরা জানান, যারা ভুক্তভোগী তারা ছাড়া কেউই জানে না কী রকমের কষ্ট হচ্ছে। বহুবার বহু এমপি মন্ত্রী ব্রিজটি সংস্কার করার জন্য আশ্বাস দিয়েছিন কিন্তু কেউই দাবি পূরণ করতে পারেনি।
এদিকে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সড়ক রূপ নিয়েছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিনিয়ত প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ, সরু সড়কে প্রাণ হাতে নিয়ে লাখো মানুষ আর পর্যটক এ সড়কে আসা যাওয়া করে প্রতিদিন।
আরও পড়ুন:
গত এক বছরে এ সড়কে দেড় শতাধিক দুর্ঘটনায় হতাহত হয়েছেন অন্তত সাতশো মানুষ। এ অঞ্চলের মানুষের মূল দাবি সড়কটিকে ছয় লেনে উন্নীত করা।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি দুই লেন থেকে চার লেনের না করা হলে দুর্ঘটনা ঘটতে থাকবে। আর সড়কটি দুই লেন হওয়ায় দুর্ঘটনার পরিমাণ নিয়মিত বাড়ছে।
জাতীয় অর্থনীতির লাইফ লাইন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি চার লেনের। এ সড়কটি দশ লেন করার দাবি এ অঞ্চলের ভোটারদের। সেই সঙ্গে, বাণিজ্যের স্বার্থে রেল পথে ঢাকা-লাকসাম কর্ড লাইন নির্মাণের মাধ্যমে রেলপথেও দূরত্ব কমানোর দাবি ভোটারদের।
এ বিষয়ে, ব্যবসায়ী আমীরুল হক বলেন, ‘চট্টগ্রাম ও ঢাকার মধ্যে যাতায়াতের জন্য সময় লাগতে পারে ১ থেকে দেড় ঘণ্টার মতো। ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে যদি কোনো সরাসরি ট্রেন চলে তাহলে ভালো হয়। আমরা ভৈরব-ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকায় যাই। একটা উন্নয়নশীল দেশে এমনটা হতে পারে না।’
সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সড়ক, মহাসড়ক আর ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি আর চাওয়া পাওয়া ভোটের মাঠে অনেকটাই প্রভাবিত করবে ভোটারদের।





