পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে অভিযানের পর তিরাহ উপত্যকায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়দের দাবি, মসজিদে ঘোষণা দিয়ে অঞ্চলটি ছেড়ে যেতে বাসিন্দাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ কারণে তীব্র শীত ও তুষারপাতের মধ্যেও তিরাহ ত্যাগ করেছে কয়েক হাজার মানুষ। যদিও সম্ভাব্য সামরিক হামলার পরিকল্পনা উড়িয়ে দিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ, খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক সরকার নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে অভিযানের পর তিরাহ উপত্যকায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়দের দাবি, মসজিদে ঘোষণা দিয়ে অঞ্চলটি ছেড়ে যেতে বাসিন্দাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ কারণে তীব্র শীত ও তুষারপাতের মধ্যেও তিরাহ ত্যাগ করেছে কয়েক হাজার মানুষ। যদিও সম্ভাব্য সামরিক হামলার পরিকল্পনা উড়িয়ে দিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ, খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক সরকার নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়াসহ একাধিক প্রদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা। এতে প্রায় নিয়মিত প্রাণ হারাচ্ছেন অনেক বেসামরিক নাগরিক। হামলাগুলোর জন্য তেহরিক-ই-তালেবান, ফিতনা আল-খারিজ ও ফিতনা আল হিন্দুস্তানসহ বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে দায়ী করছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী।
সন্ত্রাসীদের নির্মূলে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে ইসলামাবাদ। যা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে দেশটির সীমান্তঘেঁষা বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে। সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ার তিরাহ উপত্যকায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে সামরিক বাহিনী।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের দাবি, মসজিদে ঘোষণা দিয়ে অঞ্চলটির বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ কারণে, ভারী তুষারপাত ও তীব্র শীতের মাঝেও তিরাহ উপত্যকা ছাড়ছে পরিবারগুলো।
তবে ভিন্ন কথা বলছে পাকিস্তান সরকার। তীব্র শীতের এ মৌসুমে বাসিন্দাদের অঞ্চলটি ত্যাগ একটি স্বাভাবিক ঘটনা বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, ‘তুষারপাতের মৌসুমে, তিরাহ থেকে স্বাভাবিকভাবেই মানুষ অন্য জায়গায় চলে যায়। সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলটিতে অভিযান পরিচালনা বন্ধ রেখেছে। সুতরাং বাসিন্দাদের তিরাহ ছাড়ার সঙ্গে সম্ভাব্য হামলার শঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই।’
এসময়, খাজা আসিফ অভিযোগ করেন, খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক সরকার জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করেছে তিরাহ উপত্যকা ছেড়ে যাওয়া বাসিন্দারা।
স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা এখানে বছরের পর বছর ধরে আছি। ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে কেউ তিরাহ ছাড়ছে না। হঠাৎ অঞ্চলটি ছেড়ে যেতে মসজিদে ঘোষণা এলো। এরপর থেকে তীব্র শীত উপেক্ষা করে মানুষ বিভিন্ন দিকে ছুটছে।’
তিরাহ ছেড়ে বাসিন্দারা আশ্রয় নিয়েছেন পার্শ্ববর্তী বারা জেলায়। শহরটির সরকারি নিবন্ধন কেন্দ্রে সহায়তার জন্য ভিড় জমিয়েছে কয়েক হাজার মানুষ।





