গেল বছরের সেপ্টেম্বরে গ্রাহকের হাতে আসলেও এখনও বাজার কাঁপাচ্ছে অ্যাপলের আইফোন সেভেন্টিন সিরিজ। ৪৮ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড এবং আল্ট্রা-ওয়াইড সেন্সর ক্যামেরা আর উন্নত পারফরম্যান্স মোবাইল স্টোরে টেনে আনছে গ্রাহকদের। পুরনো আইফোনের মডেল বদলানোর হিড়িক বিশ্বজুড়ে।
গেল বছরের প্রথম প্রান্তিকে অ্যাপলের আয় বেড়েছে ৮৫.২৭ বিলিয়ন বা সাড়ে আট হাজার কোটি ডলার। যদিও বাজার বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন- এ সংখ্যাটি সাত হাজার ৮০০ কোটি ডলারের আশেপাশে হতে যাচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ প্রান্তিকে অ্যাপলের মোট আয় ১৪৩.৮ বিলিয়ন ডলার- যা গেল বছরের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল, সেপ্টেম্বরে আইফোনের নতুন সিরিজ আসার পর ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে ১৩৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি আয় করবে অ্যাপল। আর শেয়ারপ্রতি যেখানে ২.৬৭ ডলার আয়ের পূর্বাভাস ছিল- সেখানে অ্যাপলের আয় শেয়ার প্রতি ২.৮৪ ডলার।
আরও পড়ুন:
অর্থাৎ যেখানে প্রথম চার মাসে সাড়ে ৪৭ শতাংশ আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছিলো সেখানে ৪৮ শতাংশের বেশি আয় বেড়েছে অ্যাপলের।
দেখা যাচ্ছে, গেল বছরে চীনে আইফোন বিক্রি বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। অথচ অ্যাপলের ধারণা ছিল- বছর শেষে চীন থেকে ২১ বিলিয়ন ডলার আয় করবে তারা। আইফোনের বাজারে এ ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে চীনের বাজারে আইফোনের বিক্রি বেড়ে যাওয়ার যোগসূত্র আছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
ভারতেও ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে আইফোনের। মুম্বাইতে একটি নতুন আইস্টোর খোলার পরিকল্পনা করছে অ্যাপল।
অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক জানান, আইফোনের জন্য গ্রাহকদের অভাবনীয় সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তবে আইফোনের বিক্রি বাড়লেও চাহিদা কমেছে অ্যাপলের অন্যান্য অ্যাক্সেসরিজের।





