প্রতিবেদনে দেখা যায়, নতুন অপারেটিং সিস্টেমের ইন্টারফেসটি পূর্ণাঙ্গ ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের চেয়ে অ্যান্ড্রয়েডের ডেস্কটপ মোডের সঙ্গে বেশি মিল পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে গুগলের জনপ্রিয় ক্রোম ওএসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ক্রোম ওএসের স্ক্রিন ক্যাপচারের উন্নত ফিচার, ফাইল ম্যানেজমেন্ট, ক্যানভাস, কার্সিভ এবং বিল্ট-ইন পিডিএফ অ্যানোটেশনের মতো নিত্য ব্যবহার্য প্রডাক্টিভিটি টুলগুলো নতুন এ অপারেটিং সিস্টেমে নাও থাকতে পারে বলে ধারণা করেছেন বিশ্লেষকরা।
এছাড়া প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নতুন এ ‘অ্যালুমিনিয়াম ওএস’ এ ব্যবহারকারীরা গুগলের জনপ্রিয় ব্রাউজার ক্রোম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সমস্যার মুখে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
এর কারণ নতুন প্লাটফর্মে ডেস্কটপ ক্রোমের পরিবর্তে মোবাইল ভার্সন দেখা যাচ্ছে। যার মধ্যে এক্সটেনশন, একাধিক ব্যবহারকারীর প্রোফাইল এবং ডেভেলপার টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, গুগল যদি পূর্ণাঙ্গ ফিচার চালু না করে ধাপে ধাপে মোবাইলভিত্তিক ফিচারগুলো আগে চালু করে, তাহলে দীর্ঘদিন ধরে যারা ক্রোম ওএস ব্যবহার করে আসছেন তাদের এই ওএস ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নষ্ট হতে পারে।
অতীতে গুগল প্লে মিউজিক থেকে ইউটিউব মিউজিক কিংবা গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে জেমিনিতে বদলের অভিজ্ঞতা এ উদ্বেগকে আরও জোরালো করছে। সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েড ও ক্রোম ওএস একীভূত করার উদ্যোগ ভবিষ্যতের জন্য সম্ভাবনাময় হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে তা খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয় বলে মত দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।




