আজ (বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘মানুষকে ধমক দিয়ে ভোট নেয়ার পাঁয়তারা করবেন না। এখন ওই দিন নাই যে ধমক দিলে ভোট পাওয়া যায়, একটা ধমক দিলে ১০টা করে ভোট কমে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি, ডামি ও রাতের নির্বাচনের কারণে স্বৈরাচার তৈরি হয়েছে, আবার আগামী নির্বাচনে মেকানিজম করতে দিয়ে আমরা আরেকটা নতুন স্বৈরাচার হতে দিতে পারি না। যারা জোর খাটানো, পেশিশক্তির প্রদর্শন করার চেষ্টা করছে, তারা জানে না এটা চব্বিশের আগের বাংলাদেশ না, এটা অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ।’
এসময় নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্যে করে সারজিস বলেন, ‘একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। কোনো অপশক্তি যদি মনে করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে, পেশিশক্তির প্রয়োগ করে, কালো টাকার ব্যবহার করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে; ভোটকেন্দ্রের ভেতরে অন্য কোনো উপায়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে; তাহলে নির্বাচন কমিশন কতটুকু আইনগত ব্যবস্থা নেবে জানি না, কিন্তু আমরা রাজনৈতিকভাবে তাদেরকে প্রতিহত করবো ইনশাল্লাহ।’
আরও পড়ুন:
এনসিপির এ নেতা আরও বলেন, ‘ডামি ও রাতের নির্বাচনে যারা প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ছিলেন, যারা দলীয় পদে রয়েছেন তাদের বাদ দেয়া এবং একই সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষক যারা বঞ্চিত ছিলেন তাদের দায়িত্ব দেয়া ও পক্ষপাতমূলক আচরণ করায় তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সরিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে।’
এর আগে, দুপুরে পঞ্চগড় রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষপাতমূলক আচরণ নিয়ে তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন সারজিসের অনুসারীরা। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হলে তারা কর্মসূচি তুলে নেয়।





