সারোয়ার তুষার ফেসবুকে লিখেছেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নরসিংদী-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির পক্ষ থেকে শাপলা কলি তথা আমাকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে। এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় আমজাদ ভাই। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন দলীয় নির্দেশনা মোতাবেক মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে চাইলেও অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারেননি। ফলে রিটার্নিং অফিসার তাকে প্রতীক বরাদ্দ করেন।
তিনি লেখেন, কিন্তু ১১ দলীয় জোটের একবাক্স নীতির প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন নরসিংদী-২ আসনে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ও প্রতীক যথাক্রমে সারোয়ার তুষার ও শাপলা কলি।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও লেখেন, কাজেই নরসিংদী-২ আসনের ব্যালট পেপারে যেন দাঁড়িপাল্লা না থাকে সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে এতে অনেক জটিলতারই অবসান ঘটবে।
জোট প্রার্থীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার নির্দশন রাখায় জামায়াতে ইসলামীর প্রতি শুকরিয়া জানিয়েছেন সারোয়ার তুষার।
সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে জামায়াত এ আবেদন করে বলে জানা যায়।
সিইসিকে দেয়া জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নরসিংদী-২ আসনে নিজস্ব প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। তবে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমঝোতার ভিত্তিতে ওই আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. গোলাম সারওয়ার ওরফে সারোয়ার তুষারকে ছেড়ে দেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
তবে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারায় সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট পেপারে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ কারণে বিভ্রান্তি এড়াতে এবং রাজনৈতিক সমঝোতা বাস্তবায়নের স্বার্থে নরসিংদী-২ আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতের প্রতীক না রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের সুদৃষ্টি কামনা করা হয়।





