আরও একবার বিপিএল শেষ হলো পারিশ্রমিক নিয়ে বিতর্ক আর আলোচনা নিয়ে। টুর্নামেন্ট শেষের আগেই ৭৫ শতাংশ পারিশ্রমিক পরিশোধের নিয়ম থাকলেও, প্রাপ্ত তথ্য বলছে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের ছয় দলের মাঝে কেবল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সই ক্রিকেটারদের পুরো বেতন দিয়েছে।
টুর্নামেন্টের মাঝপথেই সিলেট টাইটান্স জানিয়েছিল খেলোয়াড়দের ৭৫ শতাংশ পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছে তারা। যদিও দলের কোচিং স্টাফের একজন জানান, বেশকিছু ক্রিকেটার কেবল ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক পেয়েছেন। বাকি টাকার চেক হাতে এলেও অপেক্ষা করতে হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আবার ঢাকা ক্যাপিটালস স্কোয়াডের সিনিয়র এক ক্রিকেটার জানান, রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিও কেবল ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক দিয়েছে ক্রিকেটারদের। এরপর একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা অ্যাকাউন্টে যোগ হলেও তা শতাংশের বিচারে একেবারেই নগন্য।
আরও পড়ুন:
নোয়াখালী এক্সপ্রেসে পরিস্থিতি অবশ্য ভিন্ন। কেউ পেয়েছেন পুরো পারিশ্রমিক, আবার কেউ চেক নিয়ে অপেক্ষা করছেন টাকা জমা হওয়ার।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পেসার মেহেদি হাসান রানা বলেন, ‘আমারটা আমি পেয়ে গেছি। আরও কয়েকজন প্লেয়ার যাদের সঙ্গে কথা হয়েছে তারাও পুরো পারিশ্রমিক পেয়ে গেছে মনে হয়। কয়েকজনের মনে হয় কিছুটা বাকি আছে।’
অবশ্য এসব নিয়ে জানতে চাইলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ইফতেখার রহমান মিঠু বললেন, পারিশ্রমিক নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘আমরা যখন রিচেক করেছি তখন দেখা যাচ্ছে এখানে আরও দুই কোটি টাকার মতো লোকাল প্লেয়াররা পায়। ধরেন ঢাকার ব্যাংক গ্যারান্টি আছে, অন্যদের ব্যাংক গ্যারান্টি আছে, ক্যাশ টাকাও রাখা আছে। ক্যাশ মানে তারা ব্যাংক ড্রাফটে দিয়েছিলো আমাদের এখানে রাখা আছে। এগুলো আমরা প্লেয়ারদের দিয়ে দেবো।’
অবশ্য পারিশ্রমিক ইস্যুতে ধোঁয়াশা কাটাতে সিলেট টাইটান্সের মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।





