বরিশালে তীব্র এলপি গ্যাস সংকট: যানবাহন চালক ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

বরিশালে তীব্র এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে
বরিশালে তীব্র এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে | ছবি: এখন টিভি
0

বরিশালে তীব্র এলপি গ্যাস সংকট চলছে। দুই থেকে তিন দিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও গ্যাস পাচ্ছেন না এলপিজিচালিত যানবাহনের চালকরা। এতে বিপাকে পড়েছেন চালকরা, পাশাপাশি যানবাহন সংকটে ভোগান্তি বেড়েছে স্থানীয় যাত্রীদেরও।

নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি গ্যাসবাহী ট্রাক বরিশালে পৌঁছালেই শুরু হয় কাড়াকাড়ি। কার আগে কে গ্যাস নেবে, এ নিয়ে চালকদের মধ্যে তৈরি হয় উত্তেজনা। অনেক সময় ঝগড়া-মারামারির ঘটনাও ঘটে। তবু পর্যাপ্ত গ্যাস মেলে না বলে অভিযোগ চালকদের।

চালকরা জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে যে ট্রাকে গ্যাস আনা হয়, তা দিয়ে বরিশালের চাহিদা পূরণ হয় না। গাড়িটির ধারণক্ষমতা ১২ টন হলেও দেয়া হয় মাত্র চার টন গ্যাস। তাও আবার তা ভাগ করা হয় দুইটি ফিলিং স্টেশনে।

এ কারণে একবার গ্যাস পেতে চালকদের অপেক্ষা করতে হয় দুই থেকে তিন দিন। এতে তাদের আয় কমে যাচ্ছে এবং দৈনন্দিন জীবন চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানান তারা।

আরও পড়ুন:

এদিকে বরিশালের তুরাগ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মাহফুজ হাওলাদার বলেন, ‘এখানে বরিশালে গ্যাসের খুব সংকট দেখা দিয়েছে। সারা বাংলাদেশেই সংকট আছে। দেখা গেছে, প্রতিদিন এখন যে সংকট, তাতে গ্যাস দরকার ১০ হাজার লিটার, পাচ্ছি ২ হাজার লিটার। এ কারণে সংকট দেখা দিয়েছে। বরিশাল মহানগরে পাম্প আছে ১০ থেকে ১২টি। এর মধ্যে এক-দুটিতে গ্যাস আছে।’

তিনি বলেন, ‘জানুয়ারি মাস থেকেই এ সংকট শুরু হয়েছে, এখন কবে এ সংকট দূর হবে, তা আমরা ঠিক জানি না। আমরা যেটুকু গ্যাস পাই তা অপর্যাপ্ত, তাও আবার ২ থেকে ৩ দিন গ্যাপ দিয়ে আসে।’

এছাড়া গ্যাসবাহী গাড়ি আসার সঙ্গে সঙ্গেই মজুতের সব গ্যাস বিক্রি হয়ে যায় বলেও জানান তিনি।

এসএইচ