ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে উত্তরবঙ্গ গরিব নয়, গরিব করে রাখা হয়েছ। সৎ মায়ের সন্তানের মতো উত্তরবঙ্গের সঙ্গে আচরণ করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গকে পিছিয়ে রাখা হয়েছ ইচ্ছা করে। উত্তরবঙ্গ থেকে আগামীতে আমরা আর কোনো বেকারের মুখ দেখতে চাই না। আমরা সবার হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে চাই। গোটা উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘ভাই আমাদের কাছে কোনো কার্ড নাই। আপনারা সবাই ভাইবোনেরা আমাদের কার্ড। আপনাদের বুকে আমরা একটা ভালোবাসার কার্ড চাই। আপনাদের দোয়া, সমর্থন, ভালোবাসা দিয়ে আগামীতে বেকার এবং দায়-দয়ামুক্ত একটা বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই। কারো দয়ার পাত্র হয়ে বাংলাদেশের কোনো এলাকার মানুষ বসবাস করবে তা আমরা দেখতে চাই না।’
আরও পড়ুন:
অনেকে বসন্তের কোকিলের মতো উড়ে এসে জুড়ে বসে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির।
তিনি বলেন, ‘চারটা বিশাল নদী আল্লাহর নেয়ামত, আল্লাহ তায়ালা এ উত্তরবঙ্গকে দান করেছিলেন। তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপ্রত্র এবং করতোয়া। আজকের আসতে আসতে ওপর থেকে দেখলাম, নদী নয় মরুভূমি, মরে কঙ্কাল হয়ে আছে নদীগুলো। এ নদীগুলোকে খুন করা হয়েছে। এ দেশের কি কোনো মা-বাবা ছিল না। তাহলে আমার নদী মরে গেলো কেন। ওরা জনগণের প্রতি পাঁচ বছরে একবার দরদের হান্ডিতে জাল দেয় আর এটা উৎলায়া ওঠে। বাকি সাড়ে চার বছর ওদের আর হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় না। কেউ কেউ আবার বসন্তের কোকিল। বসন্ত কাল আসলে বলে কুহু কুহু। এরপর এদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। উড়ে এসে জুড়ে বসে। মানুষের সঙ্গে, তৃণমূলের সঙ্গে, গরিব-দুখীদের সঙ্গে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এ রাজনীতিকে ঘৃণা করি।’
জামায়াত দেশবাসীকে ফেলে কোথাও যায়নি বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘দেশবাসীকে ফেলে চরম দুঃখ বিপদের সময়ও কোথাও আমরা যাইনি। আগামীতে প্রিয় দেশবাসী আপনাদের ছেড়ে আমরা যাবো না। জীবনে-মরণে একসঙ্গে লড়াই করবো ইনশা আল্লাহ।’





