জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি পুনর্জীবিত করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন | ছবি: এখন টিভি
0

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে যে খালগুলো খনন করা হয়েছিল, বিগত সরকারগুলো সেগুলো সংস্কার বা পুনঃখননে কোনো দায়িত্ব পালন করেনি। অথচ দেশের কৃষিখাত ও অর্থনীতিতে এই খালগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমান সরকার সেই কর্মসূচিই পুনর্জীবিত করছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোলের বলরামপুর সাহাপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খাল খনন প্রকল্পের মাধ্যমে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করে জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব এবং শুকনো মৌসুমে পানি ধরে রেখে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা যাবে। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমবে এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা দেশকে মরুভূমি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলে বৃক্ষরোপণের হার দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক কম। এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের হার মাত্র ৮-৯ শতাংশ, যেখানে পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা জরুরি।

আরও পড়ুন:

ডা. জাহিদ হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে এই খাল খনন কর্মসূচির শুভ সূচনা হবে। একই দিনে বাংলাদেশের ৫৩টি এলাকায় একযোগে এই কর্মসূচি শুরু হবে।

তিনি বলেন, যেমন ফ্যামিলি কার্ড আমরা ১৪টি জায়গায় চালু করেছি, ঠিক একইভাবে খাল খনন কর্মসূচিও ১৬ মার্চ উদ্বোধন করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য খালের নাব্যতা বৃদ্ধি এবং পানি নিষ্কাশন সহজ করা।

এসময় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসএইচ