প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য এ ডিভাইসে একাধিক ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, স্পিকার ও ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা থাকবে। তবে এটি অ্যাপলের ইন্টেলিজেন্ট পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরির ব্যবহারের নতুন একটি মাধ্যম হতে পারে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তিবিদরা।
তবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ডিভাইসটির প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। অ্যাপলের ইন্টেলিজেন্ট পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরির ব্যবহারের জন্য এরইমধ্যে আইফোন, অ্যাপল ওয়াচ ও এয়ারপডস মতো ডিভাইস বাজারে রয়েছে— যেগুলো এআইয়ের ব্যবহার ছাড়াও আরও অনেক কাজ করতে পারে। তবে প্রযুক্তিবিদরা ধারণা করছেন, এআই প্রযুক্তির বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ার কারণেই হয়তো অ্যাপল এ উদ্যোগ নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
গত কয়েক বছরে মেটার রে-ব্যান স্মার্ট গ্লাস, গুগলের জেমিনি, স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এক্সআর এবং ওপেনএআইয়ের নতুন এআই পিন স্পেক্টার— সব মিলিয়ে এআই ডিভাইসের দৌড় জোরে সোরে এগোচ্ছে।
তবে ২০২৩ সালে রিলিজ হওয়া হিউম্যান ইনকরপোরেটেড তৈরি হিউমেন এআই পিন ইতোমধ্যে দেখিয়েছে, এ ধরনের এআই পিন, যার সব সময় ক্যামেরা অন বা চালু থাকে, তা ব্যক্তি প্রাইভেসির ক্ষেত্রে কতটা জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
ফোল্ডেবল স্মার্টফোন বা স্মার্ট রিংয়ের মতো ডিভাইস আনতে দেরি করা অ্যাপল, ২০২৭ সালের মধ্যে এআই পিন ভোক্তা বাজারে এআই পিন আনার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ বলে মনে করেছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। এটি প্রযুক্তি খাতে এআই হাইপের অংশ হিসেবে দেখেছেন তারা।




