তিনি বলেন, ‘সংস্থাটি শান্ত থেকে নিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ‘বোর্ড অব পিস’ ও গাজা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডুজারিক।
‘বোর্ড অব পিস’ উদ্বোধনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন এবং সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। এ নিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে বোর্ডটির কোনো সরাসরি আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ডুজারিক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ‘বোর্ড অব পিস’-এর কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।’
এ সময় ডুজারিক স্মরণ করিয়ে দেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবে গাজার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের বিষয়টি স্বাগত জানানো হয়েছে এবং ওই প্রস্তাব অনুযায়ী মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাতিসংঘের নেতৃত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় যতটা সম্ভব মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জাতিসংঘ কার্যকরভাবে কাজ করেছে। ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
ড্যাভোস সম্মেলনে ‘বোর্ড অব পিস’-এর পক্ষ থেকে আগামী সপ্তাহে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেয়া হতে পারে এমন ঘোষণার বিষয়ে ডুজারিক বলেন, ‘জাতিসংঘ এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাফাহ সীমান্ত দ্রুত পুনরায় চালু হবে।’
তার ভাষ্য, ‘এ সীমান্ত মানবিক সহায়তা ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ফিলিস্তিনিদের যাতায়াতের জন্যও এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ।’
ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করলেও জাতিসংঘ কি তাদের কার্যত সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়া হিসেবে দেখছে কিনা এর জবাবে ডুজারিক বলেন, ‘বাস্তবিক অর্থে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ডব্লিউএইচও-এর কোনো কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে না। আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো পরবর্তীতে নিষ্পত্তি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘ চায় যুক্তরাষ্ট্র আবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় ফিরে আসুক। কারণ স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সংকট কোনো সীমান্ত মানে না এবং ভাইরাস, মহামারি ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। ডব্লিউএইচও এ ধরনের বৈশ্বিক সমন্বয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্লাটফর্ম।
এছাড়া ব্রিফিংয়ে সিরিয়া, সুদান, তুরস্কে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা এবং পূর্ব জেরুজালেমে ইউএনআরডব্লিউএ কার্যালয় ভাঙার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। ইউএনআরডব্লিউএ প্রসঙ্গে ডুজারিক বলেন, ‘ইসরায়েল জাতিসংঘের সুযোগ-সুবিধা ও দায়মুক্তি সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা




