বিশ্বজুড়ে এআই ডেটা সেন্টার তৈরির ফলে উন্নত হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি চিপের চাহিদা বিগত বছর গুলোতে বেড়ে গেছে। এর ফলে শীর্ষ চিপ নির্মাতারা ভোক্তা ইলেকট্রনিকস তৈরিতে ব্যবহৃত ডিআরএএম চিপের সরবরাহ কমিয়ে দিচ্ছে, যার ফলে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে।
এছাড়া গবেষণা সংস্থা ট্রেন্ডফোর্সের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ডিআরএএম চিপের দাম ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ডেলের চিফ অপারেটিং অফিসার জেফ ক্লার্ক গত নভেম্বর মাসে এক আয় সংক্রান্ত বৈঠকে বলেন, ‘আমরা কখনোই এত দ্রুত হারে চিপ নির্মাণের খরচ বাড়তে দেখিনি। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের কাঁধে গিয়ে পরবে।’
আরও পড়ুন:
বিশ্বের বৃহত্তম দুইটি মেমোরি-চিপ নির্মাতা স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্স জানিয়েছে, তাদের উৎপাদন সক্ষমতার চেয়ে ২০২৬ সালের জন্য ইতোমধ্যে অর্ডার অনেক বেশি জমে আছে। এদিকে তাদের নতুন কারখানা চালু হতে সময় লাগায়, ২০২৬ সাল পর্যন্ত ইলেকট্রনিকস পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকবে। গত মাসেই স্যামসাং কিছু মেমোরি চিপের দাম সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ বাড়িয়েছে।
এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি যেখানে ভবিষ্যতের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, সেখানে তা ভোক্তা ইলেকট্রনিকস বাজারে বড় ধরণের চাপও সৃষ্টি করছে। চিপ সংকট, উৎপাদন সীমাবদ্ধতা এবং বাড়তি বিনিয়োগের কারণে আগামী কয়েক বছর স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী থাকায় শঙ্কা বেশি থাকবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা বিশ্লেষকরা।
—ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অবলম্বনে





