এর অর্থ হলো বর্তমানে বাংলাদেশ পাঁচ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটাতে সক্ষম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাসিক আমদানি ব্যয় এখন ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
২০২১ সালের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। কিন্তু করোনার বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর আমদানির চাপ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভ কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের মে মাসে রিজার্ভ ২৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এলে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
আরও পড়ুন:
তবে গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লে রিজার্ভ বাড়তে শুরু করে।
টাকার মান ধরে রাখতে আগে ডলার বিক্রি করলেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক উল্টো ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা শুরু করে। ডলারের দরপতন ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ অর্থবছরে তিন বিলিয়ন ডলার কিনেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে প্রবাসী আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে রপ্তানি আয়েও সামান্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং আমদানির গতিও বেড়েছে।





