শেষ ৯ ওয়ানডের ৭টিতেই পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ জিতলেও প্রশ্ন থেকে যায় টাইগারদের পারফরম্যান্স নিয়ে। প্রশ্ন আছে মেহেদি হাসান মিরাজের অধিনায়কত্ব আর দলের ব্যাটিং পজিশন নিয়েও।
বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বলেন, ‘যার এবিলিটি আছে সে বাংলাদেশ দলে খেলছে। আমার মনে হয় প্রতিটা খেলোয়াড়ের দায়িত্বটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একসময় আমরা চিন্তা করতাম আমি হয়তো মাত্র এসেছি, একটা ম্যাচ খেলেছি। যখন সেরা ১১-তে খেলে তখন কিন্তু সবাই পারফর্ম করার চেষ্টা করে। দিনশেষে আমার মনে হয় সব প্লেয়ারদের দলের জন্য খেলা উচিত।’
আরও পড়ুন:
পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশকে পারফরম্যান্সের বাইরেও দিতে হবে অনেক প্রশ্নের উত্তর। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ অবশ্য দলের সবার কাছেই দায়িত্বশীল ক্রিকেট আশা করেন।
বাংলাদেশের হোম সিরিজ মানেই স্পিন সহায়ক পিচ। যদিও দলের অধিনায়ক বারবারই বলছেন ট্রু উইকেটের কথা। একদিকে বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে তাল মেলানোর চ্যালেঞ্জ। এই দুইয়ের দোলাচলে অধিনায়ক মিরাজ দিলেন দ্বিধা মেশানো উত্তর।
মেহেদি হাসান মিরাজ বলেন, ‘ম্যাক্সিমাম ম্যাচ যেহেতু আমরা ভালো উইকেটে খেলতে পারি। হোম কন্ডিশন মানে এরকম না যে আমরা অনেক বাজে উইকেট দিয়ে দেব। তখনো আমরা ভালো উইকেটেই খেলবো। জাস্ট আমরা ঘরের সুবিধা যেন নিতে পারি।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে আসবেন নতুন এক প্রজন্ম। কাদের অভিষেক হবে সেই ধারণাও দিয়েছেন পাকিস্তান ক্যাপ্টেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
শাহিন শাহ আফ্রিদি বলেন, ‘বিশ্বকাপের জন্য আমাদের দলকে প্রস্তুত করতে হবে এবং এই সিরিজটি তরুণদের জন্য তাদের দক্ষতা দেখানোর একটি ভালো সুযোগ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওমাইর বিন ইউসুফও একাদশে থাকবেন। ইনিংস ওপেন করবেন তিনি। তিন নম্বরে ব্যাট করবেন সাহিবজাদা ফারহান। প্রথম ওয়ানডেতে তিনজনের অভিষেক হতে পারে। আমি আশা করি, নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলবে তারা এবং দক্ষতার প্রমাণ দেবে। দল হিসেবে আমরা পাকিস্তানের হয়ে তাদের খেলতে দেখে উচ্ছ্বসিত, শুধু এই সিরিজের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও।’





