আলু উত্তোলন শেষে বর্তমানে দিনাজপুরের মাঠজুড়ে বোরো ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। পাশাপাশি চলছে অন্যান্য ফসলেরও চাষাবাদ। তবে প্রতিবছরই উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক। সার, বীজ, সেচ—সব কিছুর দাম বাড়লেও উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিপাকে কৃষকরা।
পর্যাপ্ত পরিমাণে সার পাওয়া যাচ্ছে না আর পাওয়া গেলেও অধিক দামে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।
আরও পড়ুন:
এ বাস্তবতায় কৃষক কার্ড উদ্যোগকে স্বস্তির খবর হিসেবে দেখছেন কৃষকরা। কৃষকদের আশা, দ্রুতই দিনাজপুরেও কার্ড বিতরণ শুরু হবে। যদিও মাঠপর্যায়ে এখনো অনেক কৃষক এ বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। আর কৃষি অফিস বলছে, দিনাজপুরে এ কার্ড চালু হলে উপকৃত হবে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কৃষক পরিবার।
একজন কৃষক বলেন, ‘এই কার্ড কে পাবে আর কে পাবে না তা তো জানি না। তবে পাওয়া গেলে ভালো হয়।’
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আবু জাফর মোহাম্মদ সাদেক বলেন, কৃষকরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবে। ন্যায্যমূল্য সার, বীজসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবে।
কৃষি খাতে সহায়তা ও প্রণোদনার এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ কমবে, অন্যদিকে উৎপাদনও বাড়বে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।





