
অক্টোবরের শেষ অবধি ডেঙ্গুর তীব্র সংক্রমণের শঙ্কা, লার্ভার বড় উৎস বেজমেন্ট
অক্টোবরে শেষ পর্যন্ত থাকতে পারে ডেঙ্গুর অতিরিক্ত সংক্রমণ। রোগীর সংখ্যা, এডিস মশা ও লার্ভার ঘনত্ব বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য দিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ। বাসাবাড়িতে ব্যবহার করা বিভিন্ন উপকরণ রাখা বেজমেন্টেই প্রায় ৬০ শতাংশ ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। এর বাইরে খোলা জায়গায় পড়ে থাকা বিভিন্ন উপকরণে পাওয়া গেছে ৪০ শতাংশ লার্ভা। তবে ডেঙ্গুর স্থায়ী সমাধানে টিকার বিকল্প দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।

ডেঙ্গু চিকিৎসায় প্রান্তিক সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, ডেঙ্গু চিকিৎসায় প্রান্তিক সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, স্যালাইনসহ পর্যাপ্ত সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে। কোনো রোগীকে যেন ঢাকায় আসতে না হয় সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বরের শেষেই সারা দেশে শুরু হবে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চলতি মাসের শেষেই সারা দেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

কলেরা টিকার দুই ডোজ দিতে ৫ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাউশির নির্দেশ
দেশে কলেরা রোগের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দুই দফায় মুখে খাওয়ার প্রিভেন্টিভ কলেরা ভ্যাকসিন দিতে ৫ জেলার নির্দিষ্ট এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এরই মধ্যে গত ২২ আগস্ট প্রথম ডোজ দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার কথা রয়েছে।

ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে আগামীকাল
কলেরা প্রতিরোধে আগামীকাল (শনিবার, ২২ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬’। টিকার প্রথম ডোজ চলবে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া হবে।

কলেরার টিকা দেয়া শুরু ২২ আগস্ট, কীভাবে ও কারা পাবেন?
দেশের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরসনে কলেরা ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী (শনিবার, ২২ আগস্ট) থেকে দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে প্রথম দফার টিকাদান কার্যক্রম। পরবর্তী ধাপে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় দফার টিকা প্রদান। ১ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের সব নাগরিককে বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে, তবে গর্ভবতী নারীরা এই কর্মসূচির আওতায় থাকবেন না (Cholera Vaccination Campaign 2026)।

ভারতে প্রথমবার ডেঙ্গু প্রতিরোধী ‘কিউডেঙ্গা’ টিকার অনুমোদন
ভারতে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু প্রতিরোধী ‘কিউডেঙ্গ’ নামে টিকার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দেশটির সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের এ অনুমোদনকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ২০ লাখ ডোজ টিকা আমদানির উদ্যোগ
জলাতঙ্ক বা র্যাবিস প্রতিরোধে প্রায় ২০ লাখ ডোজ টিকা আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছে। চলতি মাসেই অনুমোদন পাওয়া গেলে টিকা আমদানি করা হবে।

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ লাখ বেশি শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত ৪ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, অ্যান্টিবডি তৈরি হতে ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ সময় লাগবে।

চসিক এলাকায় শেষ হলো হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় পরিচালিত হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এ ক্যাম্পেইন ২০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হয়। এ সময়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ।

কমছে না হাম আক্রান্তের সংখ্যা; ঈদযাত্রায় বাড়তে পারে সংক্রমণ
হামের টিকা দেয়া শুরুর দেড় মাস শেষ হলেও কমছে না আক্রান্তের সংখ্যা। শুরুর দিকের হটস্পট রাজশাহীতে কিছুটা কমলেও এক মাসের ব্যবধানে চট্টগ্রামে রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ঢাকায় এ সংখ্যা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও বরিশাল, সিলেট, খুলনাসহ অধিকাংশ বিভাগেই বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। আসন্ন ঈদুল আজহায় মানুষের ব্যাপক স্থানান্তরে রোগী আরও বৃদ্ধির শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

দেশজুড়ে বাড়ছে হাম সংক্রমণ, ডিএনসিসি হাসপাতালে এক দিনে ভর্তি ১০৬ শিশু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৪ মে) সারাদেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৫১৮ জন। এদিকে, রাজধানীর ডিএনসিসি হাসপাতালে হাম ও হাম সদৃশ উপসর্গ নিয়ে একদিনেই ভর্তি হয়েছে ১০৬ শিশু, মারা গেছে একজন। চিকিৎসকদের দাবি, ভর্তি হওয়া রোগীদের প্রায় ৭০ শতাংশই ঢাকার বাইরের। প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সংকট, দেরিতে রোগ শনাক্ত হওয়া এবং টিকার বাইরে থাকা শিশুর সংখ্যাই পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।