
পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার চেষ্টা!
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। এ ড্রোন হামলার পর রাশিয়া শান্তি আলোচনায় তার অবস্থান পর্যালোচনা করবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অবশ্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত: মার্কিন মধ্যস্থতায় শান্তিচুক্তির ৯৫ শতাংশই সম্পন্ন
ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত বন্ধে, মার্কিন মধ্যস্থতায় চুক্তির ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশই সম্পন্ন। বলছেন ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। যদিও দনবাসসহ রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলের ভাগ্য এখনও অমীমাংসিত বলে, সতর্ক অবস্থানে ট্রাম্প। জানান, চুক্তির পথ এখনও কাঁটায় পরিপূর্ণ। শান্তিচুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব একটা আশাবাদী হতে পারছে না ইউক্রেনের সাধারণ মানুষও।

ইউক্রেন-রাশিয়ার পাল্টাপাল্টি হামলায় ব্ল্যাকআউট ও আগুনের কবলে দুই দেশ
ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ ঝাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় ৭শ'র বেশি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। প্রাণ গেছে কমপক্ষে একজনের। হামলার কারণে বড়দিনের আগে এবং তীব্র তুষারপাতের মধ্যেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে বড় ধরনের ব্ল্যাকআউটের কবলে সারা দেশ। অন্যদিকে, রাতভর ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কবলে রাশিয়ার রাজধানী মস্কো। বিস্ফোরণে নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে চারজন। হামলায় ভয়াবহ আগুনের কবলে রাজধানীর দক্ষিণে তুলার শিল্পাঞ্চল।

ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত: এখনই না থামলে আরও বিস্তৃত হবে যুদ্ধ!
ইউক্রেন নিয়ে ট্রাম্পের ইউটার্ন নেয়ার পর রাশিয়া বলছে যুদ্ধ ছাড়া তাদের আর কোন বিকল্প নেই। মস্কোকে খোঁচা দিয়ে কাগুজে বাঘ বলে ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ক্রেমলিন বলেছে, রাশিয়া বাঘ নয়, সত্যিকারের ভালুক। তবে হুট করে ট্রাম্পের সুর পাল্টানো নিয়ে উদ্বেগে আছেন ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ। এদিকে, ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন, পুতিনকে এখনই না থামালে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হবে। আর ক্রিমিয়াকে নিজেদের দাবি করেছে ইউক্রেন।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা মিশন শুরু করেছে ন্যাটো
ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই তিনটি সদস্য রাষ্ট্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা মিশন শুরু করেছে ন্যাটো। শুক্রবার রাতে আরএএফ টাইফুন যুদ্ধবিমানগুলোকে পোল্যান্ডে মোতায়েন করা হয়।

ইউক্রেনে নজিরবিহীন রুশ হামলা: ৮০০ ড্রোন ও ১৩ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, নিহত ৩
যুদ্ধ শুরুর পর শনিবার রাতে ইউক্রেনে প্রথমবারের মতো সবচেয়ে বড় হামলা চালালো রাশিয়া। একসঙ্গে ৮ শ'র বেশি ড্রোন এবং ১৩টি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনে আক্রমণ চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এমনকি নজিরবিহীন হামলায় প্রথমবারের মতো কিয়েভে থাকা প্রধান সরকারি ভবনও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এছাড়াও প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জন্মস্থানসহ বেশ কয়েকটি শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় অন্তত তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২০ জন। এ অবস্থায় অবিলম্বে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়ন এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে মিত্রদের প্রতি আহ্বান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির।

ইউরোপের মিত্র দেশগুলোর সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত মেনে নেবে মস্কো?
ইউক্রেনের নিরাপত্তার প্রশ্নে ইউরোপের মিত্র দেশগুলোর সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কখনোই মানবে না মস্কো। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইউক্রেন এই পরিকল্পনা থেকে সরে না আসলে পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক থেকে আসবে না কোনো সমাধানও। বিশেষ করে ভৌগলিকভাবে ন্যাটোভুক্ত কয়েকটি দেশের কাছাকাছি থাকায় ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনাদের উপস্থিতিকে জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে রাশিয়া।

সংঘাত বন্ধে ব্যর্থ হলে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুমকি ট্রাম্পের
রুশ বাহিনী ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শিল্প এলাকায় ঢুকে পড়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দেয়ার চেষ্টা করছে বলে স্বীকার করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। অন্যদিকে, রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রোস্তভ অন ডনে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেন। দুই দেশের সংঘাত বন্ধে ব্যর্থ হলে রাশিয়ার ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে আবারও হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে, ইউরোপীয় কোনো দেশ রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার আয়োজক হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী রাশিয়া
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ নয় বরং শুক্রবার শান্তি আলোচনার মাধ্যমে রুশ প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের সূচনা করতে চান বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তারা জোর দিয়ে বলছেন, ট্রাম্পের উদ্দেশ্য ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত বন্ধ করা হলেও আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছেন পুতিন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ বৈঠকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে বের হওয়ার যোগ খুঁজছে মস্কো। তবে, জার্মান গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের দাবি, পুতিনের উদ্দেশ্য সম্পর্ক স্পষ্ট ধারণা আছে ট্রাম্পের।

যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহ নেই রাশিয়ার, নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি ইইউর
যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী নয় রাশিয়া। তাই ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠক ঘিরে আশাবাদী নন জেলেনস্কি। এদিকে, মস্কোর বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। অন্যদিকে ট্রাম্পের দাবি, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় ইউক্রেনের জন্য অঞ্চল পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো হবে।

শান্তি চুক্তির আলোচনা ছাড়াই শেষ হলো রাশিয়া-ইউক্রেনের বৈঠক
ট্রাম্পের ৫০ দিনের আল্টিমেটামের পরও শান্তি চুক্তির বিষয়ে তোড়জোড় নেই রাশিয়ার। বন্দিবিনিময় ও সেনাদের মরদেহ হস্তান্তরের মাধ্যমেই শেষ হলো রাশিয়া ও ইউক্রেনের বৈঠক। যেখানে যুদ্ধবিরতি বা যুদ্ধ বন্ধে কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। তবে আগস্টের শেষ দিকে পুতিনকে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করার প্রস্তাব দেয় ইউক্রেন। জবাবে মস্কো বলেছে, কেবল চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য জেলেনস্কির মুখোমুখি হতে পারেন পুতিন। এদিকে, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার কর্তৃত্ব নিজের হাতে রাখতে চান ট্রাম্প।

ইউরোপে অস্ত্র সরবরাহ বাড়ছে; যুক্তরাষ্ট্রের দৌড় এগিয়ে
উত্তেজনা বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যকে পেছনে ফেলে এখন ইউরোপে বেড়েছে অস্ত্রের সরবরাহ। এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে ইউরোপের দেশ ইউক্রেন। আর এই অস্ত্র সরবরাহ করে দিন দিন আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে ওঠছে অস্ত্র তৈরি ও রপ্তানির দৌড়ে এগিয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত কিংবা ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, বিশ্বের ক্ষমতাধর এই দেশটির অস্ত্র ব্যবহার হয় সবচেয়ে বেশি।