ভাঙা ভবনের বারান্দায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসে আছেন একদল মানুষ। কেউ কেউ বিধ্বস্ত রাস্তায় চালিয়েছেন প্রজেক্টর। ছবিটা যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা অঞ্চলের। শত শত চোখ মিশরের খেলায় আটকে। ইসরাইলি হামলার ১০০১ তম দিনেও অনিশ্চিত গাজার জনজীবন। এরমাঝেও রাত জেগে ফিলিস্তিনের এই জনপদের মানুষ উপভোগ করলেন বিশ্বকাপের ম্যাচ। আর তাতে মিশরের জয়ে বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে ভাসলো ছেলে-বৃদ্ধ সবাই। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বলেই না, মিশরকে গাজা চেনে নিজেদের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে।
আরও পড়ুন:
মিশরের রাফাহ ক্রসিং খুলে দিলেই কেবল ত্রাণ পায় গাজা। সেটাই আপাতত স্বাধীনতাকামী এসব মানুষের বেঁচে থাকার সম্বল। সে কারণেই মিশরের প্রতি বাড়তি ভালোবাসা গাজার জনপদে। টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়ার বিজয়ে আবেগাপ্লুত অবস্থায় দেখা গেল অনেককেই। রাতের অন্ধকারে গাজার আকাশে উড়লো মিশরের পতাকা।
নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ নকআউটের জয়টাও মিশর কোচ উৎসর্গ করেছেন গাজাবাসীকে। ম্যাচ শেষে ফারাও কোচ হোসাম হাসান গাজার মানুষের কথা স্মরণ করে বলেন, আল্লাহ যেন তাদের বিজয় দান করেন। শহীদদের তিনি ক্ষমা করুন। আমি তাদের উদ্দেশ্য করে বলছি: এই জয় আমি উৎসর্গ করছি মিশর এবং ফিলিস্তিনের সেইসব সম্মানিত ও দয়ালু জনগণকে।
শুধু গাজাই না, মিশরের জয়ে আনন্দের বন্যা দেখা গিয়েছে সিরিয়ার যুদ্ধবিধস্ত বেনগাজি শহরে। রাতভর সালাহ-আশুরিদের জয় উদযাপন করেছেন সিরিয়ান জনতা।




