চলছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’-এর ২৩তম আসর। নিজ দেশের হয়ে মাঠে নেমেছেন মেসি-রোনালদো থেকে হালের এমবাপ্পে-হালান্ডরা। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগের পাশাপাশি সমর্থকদের নজর থাকে তারকাদের পারফরম্যান্সের দিকেও। এবারের আসরে প্রথম ম্যাচ শেষে কেমন করলেন সময়ের সেরা ফুটবলাররা?
তারকাদের মধ্যে সবার আগে ২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে ঝড় তোলেন ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে। আরও একটি বিশ্বকাপে তার ম্যাজিক দেখছে গোটা বিশ্ব। সেনেগালের বিপক্ষে করেছেন দুর্দান্ত দুই গোল। তিনি গোলমুখে শট নিয়েছিলেন ৪টি, সফল পাসও ছিলো ৯৪ শতাংশ। নিজের মাত্র তৃতীয় বিশ্বকাপেই ১৪ গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যাওয়ার দৌড়ে আছেন তিনি।
ছেড়ে কথা বলেননি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে আসা আরেক গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডও। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপ খেলতে আসা নরওয়ের হয়ে করেছেন জোড়া গোল। ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৫ শট থেকে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে সবচেয়ে বেশি বার বল টাচ করে প্রামাণ করেছেন বিশ্বমঞ্চে ঝড় তুলতে প্রস্তুত তিনিও।
আরও পড়ুন:
তবে হালান্ড-এমবাপ্পেদের তারুন্যের দাপটকে উড়িয়ে নিজের আধিপত্য ধরে রেখেছেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। সপ্তাহ খানেক বাদে ৩৯ বছরে পা রাখতে যাচ্ছেন তিনি, কিন্তু মাঠের খেলায় যেন মেসি চিরতরুণ। সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিকসহ আলজেরিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচেই উল্টেপাল্টে ফেলেছেন রেকর্ড বইয়ের অনেক পাতা।
ইংল্যান্ডকে দুর্দান্ত শুরু এনে দিয়েছেন এই শতকের অন্যতম সেরা ফরওয়ার্ড ও দলটির অধিনায়ক হ্যারি কেইনও। হাইভোল্টেজ ম্যাচে তার জোড়া গোলে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের নাটকীয় জয় পেয়েছে থ্রি-লায়ন্স। বিশ্বকাপে ১০ গোল করা কেইনের লক্ষ্য ইংল্যান্ডের দীর্ঘ ট্রফি খরা কাটানো।
সব তারকারা যেখানে নিজেদেরকে মেলে ধরেছেন বিশ্বমঞ্চে, সেখানে সবাইকে হতাশ করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কঙ্গোর বিপক্ষে পুরো ম্যাচে ছিলো না তার কোনো গোল, এসিস্ট কিংবা গোলমুখে শটও। উল্টো মিস করেছেন তিনটি বড় সুযোগ।
এ তালিকায় নাম থাকতে পারতো ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়রেরও। তবে ইনজুরির বাধায় মাঠেই পা রাখা হয়নি তার। ভক্তরা এখন কেবল তার মাঠে ফেরার অপেক্ষায়।




