এই রোমাঞ্চকর ম্যাচের প্রাইজমানির আদ্যোপান্ত ও ফিফার রেকর্ড বরাদ্দ নিচে তথ্যবহুল আকারে সাজানো হলো (England vs France World Cup 2026 prize money breakdown: How much 3rd and 4th place earned)।
আরও পড়ুন:
থ্রি লায়ন্সদের বাজিমাত ও প্রাইজমানির ব্যবধান (England vs France total earnings comparison)
রোববার (১৯ জুলাই) মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর ও হাই-স্কোরিং ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ মেডেল বা তৃতীয় স্থান (World Cup 2026 third-place play-off winners) নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
- ইংল্যান্ডের প্রাইজমানি (England 3rd place prize money amount): এই জয়ে থ্রি লায়ন্সরা পাচ্ছে ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকার সমতুল্য।
- আয়ের খুব বেশি পার্থক্য নেই: ম্যাচটিতে জয়-পরাজয়ের ব্যবধান যাই হোক না কেন, দুই দলের পারফরম্যান্স বোনাসের আর্থিক পার্থক্য মাত্র ২ মিলিয়ন ডলার বা ২৪ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
ফিফা ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী বিশ্বকাপ (Richest FIFA World Cup in history total distribution)
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর (expanded 48-team tournament structure)। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ফিফা সর্বমোট ৮৭১ মিলিয়ন ডলারের রেকর্ড আর্থিক প্যাকেজ (record $871 million total financial package) বরাদ্দ করেছে, যার মধ্যে মূল পারফরম্যান্স-ভিত্তিক প্রাইজ পুল ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার (performance-based prize pool of $655 million)।
টুর্নামেন্টে দলগুলোর অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে এই অর্থ বণ্টন করা হয়েছে। এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলই প্রস্তুতি ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার করে পেয়েছে।
আরও পড়ুন:
একনজরে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানির তালিকা (At a glance FIFA World Cup 2026 prize money breakdown list)
- চ্যাম্পিয়ন (Champions): ৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা)
- রানার্সআপ (Runners-up): ৩৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)
- তৃতীয় স্থান - ইংল্যান্ড (Third Place): ২৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)
- চতুর্থ স্থান - ফ্রান্স (Fourth Place): ২৭ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা)
- কোয়ার্টার ফাইনাল - ৫ম থেকে ৮ম (Quarter-finalists): ১৯ মিলিয়ন ডলার
- শেষ ১৬ - ৯ম থেকে ১৬তম (Round of 16 exit): ১৫ মিলিয়ন ডলার
- শেষ ৩২ - ১৭তম থেকে ৩২তম (Round of 32 exit): ১১ মিলিয়ন ডলার
- গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় - ৩৩তম থেকে ৪৮তম (Group stage elimination): ৯ মিলিয়ন ডলার
বিশ্বকাপের এই পুরস্কারের অঙ্ক গত আসরগুলোর তুলনায় অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪২ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপাজয়ী ফ্রান্সের প্রাপ্তি ছিল ৩৮ মিলিয়ন ডলার। এবার সেই চ্যাম্পিয়নশিপের প্রাইজমানি একলাফে ৫০ মিলিয়ন ডলারেোর্ড আর্থিক ট্রফি।
আজ নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপিয়ান পরাশক্তি স্পেনের মেগা ফাইনাল (Argentina vs Spain final match updates) অনুষ্ঠিত হবে, যা নির্ধারণ করবে কে ঘরে তুলছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই আর্থিক ট্রফি।
আরও পড়ুন:
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রাইজমানি ও দলভিত্তিক আয়ের বিবরণ
একনজরে: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের আয়, চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপ প্রাইজমানি এবং ফিফার মোট বাজেট বন্টন
চ্যাম্পিয়ন (স্পেন/আর্জেন্টিনা)
৫০ মিলিয়ন ডলার
প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা
রানার্সআপ (স্পেন/আর্জেন্টিনা)
৩৩ মিলিয়ন ডলার
প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা
তৃতীয় স্থান: ইংল্যান্ড (ব্রোঞ্জ জয়ী)
২৯ মিলিয়ন ডলার
প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা
চতুর্থ স্থান: ফ্রান্স
২৭ মিলিয়ন ডলার
প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা
কোয়ার্টার ফাইনাল (৫ম-৮ম স্থান)
১৯ মিলিয়ন ডলার
প্রায় ২৩৩ কোটি টাকা
শেষ ১৬ (৯ম-১৬তম স্থান)
১৫ মিলিয়ন ডলার
প্রায় ১৮৪ কোটি টাকা
শেষ ৩২ (১৭তম-৩২তম স্থান)
১১ অতএব মিলিয়ন ডলার
প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা
গ্রুপ পর্ব (৩৩তম-৪৮তম স্থান)
৯ মিলিয়ন ডলার
প্রায় ১১০ কোটি টাকা
অতিরিক্ত বোনাস: মূল প্রাইজমানির বাইরে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই প্রস্তুতি ব্যয় হিসেবে অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮.৫ কোটি টাকা) করে পেয়েছে। ফিফার মোট প্রাইজ পুল ৮৭১ মিলিয়ন ডলার, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ।
দল ও অবস্থান (Team & Position)
প্রাইজমানি মার্কিন ডলারে (USD)
বাংলাদেশি টাকায় আয় (BDT)
আরও পড়ুন:




