বয়স নয়, অভিজ্ঞতাই ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় শক্তি

বিশ্বকাপের ট্রফি
বিশ্বকাপের ট্রফি | ছবি: সংগৃহীত
0

বিশ্বকাপ মানেই নতুন নক্ষত্রের জন্ম, নতুন প্রজন্মের উত্থান। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন লিখছে অন্য এক গল্প। যেখানে বয়স নয়, অভিজ্ঞতাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় শক্তি। সময়কে হার মানিয়ে কিংবদন্তিরাই এখনও বিশ্বমঞ্চের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ।

বিশ্বকাপ মানেই তো নতুন নক্ষত্র উত্থানের সবচেয়ে বড় মঞ্চ। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন সেই ধারণাই বদলে দিয়েছে। দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে তরুণদের ছাপিয়ে অভিজ্ঞ তারকারাই হয়ে উঠেছেন দলের সবচেয়ে বড় ভরসা।

বছর তিনেক আগেও ধারণা করা হচ্ছিলো, কাতার বিশ্বকাপই হবে মেসি-রোনালদোদের লাস্ট ড্যান্স। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপেও তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছেন মাঠের খেলায়। একই সাথে হ্যারি কেইন, লুকা মদ্রিচ, ম্যানুয়েল নয়্যার, কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়ারা জানান দিয়েছেন,বয়স যেন তাদের জন্য কেবলই একটি সংখ্যা।

আরও পড়ুন:

এমনকি এই জেনারেশনের অন্যতম সেরা কিলিয়ান এমবাপ্পেরও এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ। এই চিত্রের প্রতিফলন মিলেছে পরিসংখ্যানেও। ২০২৬ বিশ্বকাপের শুরুর একাদশের গড় বয়স ২৮ বছর ১১৭ দিন, যা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ইরান, কেপ ভার্দে ও কলম্বিয়ার মতো দলগুলোও গড়েছে সবচেয়ে বেশি বয়সী একাদশের নজির। শুধু দলীয় গড় বয়সই নয়, ব্যক্তিগত রেকর্ডও বলছে একই গল্প।

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি বয়সে খেলা শীর্ষ ১০ ফুটবলারের মধ্যে চারজনই খেলেছেন ২০২৬ আসরে। বিশ্লেষকদের মতে, উন্নত পুষ্টি, ডেটা বিশ্লেষণ, আধুনিক চিকিৎসা এবং ফিটনেস ব্যবস্থাপনা খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার দীর্ঘ করেছে। ফলে বিশ্বকাপেও বাড়ছে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের উপস্থিতি।

তাই এই বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে থাকবে শুধু আর্লিং হ্যালান্ডের মতো তরুণদের উত্থানের জন্য নয়। বরং সেইসব কিংবদন্তিদের জন্যও, যারা সময়কে হার মানিয়ে এখনও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের দাপট ধরে রেখেছেন।

এফএস