এর আগে, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মিশরের তথ্য মন্ত্রণালয় এই হামলার পেছনে ইরানের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে। যদিও এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর তা সরাসরি অস্বীকার করেছে কায়রো। আর, মিশরীয় জলসীমায় হামলায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে রিয়াদ।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাত সর্বাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে। ইরানি বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার জবাবে আবারও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। আইআরজিসির দাবি আহমদ আল-জাবের বিমান ঘাঁটিতে রাখা যুদ্ধ বিমান, স্যাটেলাইট স্টেশন ও অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে এই হামলা করে হয়েছে। হামলা হয়েছে বাহরাইনের শেখ ইসা বিমান ঘাঁটিতেও।
এছাড়া, ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের যৌথ হামলায় নিহত বিপ্লবী গার্ড কর্পসের সদস্যদের মরদেহ ফিরিয়ে এনেছে তেহরান।





