ফুটবল ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য রোমাঞ্চকর মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বকাপের ফাইনালগুলো সবসময়ই আলাদা উন্মাদনা ছড়িয়েছে। সেই তালিকায় প্রথমেই আসবে ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড ও পশ্চিম জার্মানির ফাইনালটি।
অতিরিক্ত সময়ে জিওফ হার্স্টের হ্যাটট্রিকে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় থ্রি লায়ন্সরা। হার্স্টের গোল বিতর্ক আর বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম হ্যাটট্রিকের স্মৃতি জার্মানি-ইংল্যান্ডের ফুটবল দ্বৈরথকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা।
১৯৭০ সালের ব্রাজিল অনেকের মতেই বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল। ফাইনালে ৪-১ ব্যবধানে ইতালিকে হারিয়ে শিরোপা জয় করেছিল সেলেসাওরা। পেলের জাদুকরী ফুটবল এবং কার্লোস আলবার্তোর সেই দর্শনীয় গোল সাম্বা ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছিল। এই জয়ের মাধ্যমেই ব্রাজিল তিনবার বিশ্বকাপ জিতে জুলে রিমে ট্রফিটি স্থায়ীভাবে নিজেদের করে নেয়।
আরও পড়ুন:
১৯৮৬ সালের আর্জেন্টিনা ও পশ্চিম জার্মানির মধ্যকার ৩-২ ব্যবধানের ফাইনালটি ছিলো দিয়েগো ম্যারাডোনার একক আধিপত্যের চূড়ান্ত রূপ। দুই গোলে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সাত মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে ম্যাচে ফিরেছিল লড়াকু জার্মানরা।
তবে অন্তিম মুহূর্তে ম্যারাডোনার দুর্দান্ত এক পাস থেকে বুরুচাগার জয়সূচক গোল আলবিসেলেস্তেদের দ্বিতীয় শিরোপা এনে দেয় এবং ম্যারাডোনাকে পৌঁছে দেয় অমরত্বের শিখরে।
আরও পড়ুন:
১৯৯৮ বিশ্বকাপের ফাইনাল ছিল সর্বকালের অন্যতম দুই সেরার লড়াই। ফ্রান্সের জিদান আর ব্রাজিলের রোনালদোর মাঝে জয় পেয়েছিলেন ফরাসি রাজপুত্রই। জিদানের জোড়া হেড আর পেটিটের গোলে উড়ন্ত ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে প্রথম শিরোপার স্বাদ পায় ফ্রান্স।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালকে গণ্য করা হয় ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় হিসেবে। লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সের বিপরীতে কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক ম্যাচটিকে ৩-৩ সমতায় নিয়ে যায়। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ভাগ্য গড়ে দেয় এমি মার্তিনেজের বীরত্ব আর ঘটনাবহুল এক টাইব্রেকার।



