বাংলাদেশ ফুটবলের ভিত্তি মজবুত করতে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার করছে বাফুফে। নির্বাহী কমিটির সর্বশেষ সভায় ফুটবলের উন্নয়ন নিয়ে নেয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত। ১৯টি এজেন্ডা থাকলেও আলোর মুখে দেখেছে ২ থেকে ৩টি এজেন্ডা।
গত ৯ এপ্রিল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন থেকে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের ফুটবলে সিলভার ধাপে উন্নীত হয়েছে বাংলাদেশ।
বাফুফের সহ-সভাপতি নাসের জাহেদি বলেন, ‘বাংলাদেশের মর্যাদা ব্রোঞ্জ থেকে সিলভার লেভেলে উন্নীত করা হয়েছে। এবার আমরা রংপুর, সিলেট, রাজশাহীসহ আমরা চেষ্টা করছি আরও কয়েকটি স্পটে খেলোয়াড়দের খুঁজে একটি প্রোগ্রাম করতে পারি।’
এদিকে, বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভা এজিএম অনুষ্ঠিত হবে ২২ মে। একইসঙ্গে একটি বাৎসরিক ক্যালেন্ডারও তৈরি করেছে সংস্থাটি, যেখানে ২০২৭ সালে পাঁচটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
বাফুফের সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান বলেন, ‘আমরা যখন ক্যালেন্ডার তৈরি করি তখন জাতীয় নির্বাচন চলে আসলো। নির্বাচনের কারণে আমাদের খেলাগুলো পেছাতে হয়েছে। এখন আশা করছি নির্বাচিত সরকার এসেছে, আমাদের ক্যালেন্ডারে যেসব টুর্নামেন্ট রেখেছি সেগুলো আমরা যথাসময়ে করতে পারবো।’
তবে এসব আলোচনার ভিড়ে জাতীয় দলের কোচ পরিবর্তন নিয়ে নিশ্চুপ বাফুফে। ফুটবলারদের দেয়া একটি চিঠি নিয়েও আলোচনা হলেও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি ফেডারেশন কর্তারা।
বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমাদের আজ ন্যাশনাল টিম কমিটির কোনো কিছু ছিলো না। যার প্রেক্ষিতে আজকের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, কোনো আলাপ-আলোচনা হয়নি। প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে আমরা ন্যাশনাল টিম ম্যানেজমেন্ট কমিটি যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাহলে আবার একটি মিটিং করবে। সেই মিটিং করে বিএফএফের এক্রিকিউটিভ কমিটির কাছে আমরা রেফার করবে। পরে সিদ্ধান্ত নেবে। সেই সিদ্ধান্তটি আপনাদের জানিয়ে দেয়া হবে।’
বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অমীমাংসিত রয়ে গেছে কোচ ও খেলোয়াড়দের ইস্যু। মাঠের বাইরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সমাধানের অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা





