১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এশিয়ান গেমসে শক্তপোক্ত দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সাধারণত এশিয়ান গেমসে অনূর্ধ্ব-২৩ দল পাঠানোর রীতি থাকলেও এবার লিটন দাসের নেতৃত্বে পুরো জাতীয় দল যাচ্ছে স্বর্ণপদকের মিশনে। ২৫ সেপ্টেম্বর জাপানের উদ্দেশে উড়াল দেবে বাংলাদেশ দল।
২৫ তারিখের এ ভ্রমণে বাংলাদেশ দলকে পাড়ি দিতে হবে ৪ হাজার ৬২৪ কিলোমিটার। ২৯ তারিখ থেকে বাংলাদেশের ম্যাচ। ব্রোঞ্জ বা গোল্ড মেডেল ম্যাচ খেলতে হলে বাংলাদেশ সেখানে অবস্থান করবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপরেই দলকে সরাসরি চলে যেতে হবে আরব আমিরাতে। জাপান থেকে যেতে পাড়ি দিতে হবে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ৭১২ কিলোমিটার। মাত্র ৬ দিনের ব্যবধানে ৯ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের সফর।
আরও পড়ুন
আরব আমিরাতে এছাড়াও বাংলাদেশ খেলবে ত্রিদেশীয় সিরিজ। যার ফাইনাল ২৩ অক্টোবর। সেই ম্যাচের মাত্র ৫ দিন পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট। দেশে ফিরতে বাংলাদেশ পাড়ি দিবে আরও প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার। দেশের মাটিতে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সেই দুই টেস্ট শেষ হবে ৯ নভেম্বর।
এরপরেই আছে সূচির সবচেয়ে বড় ভ্রমণ। ১৫ নভেম্বর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ। ঢাকা থেকে আফ্রিকান ভূমিতে যেতে বাংলাদেশ পাড়ি দেবে ৯ হাজার কিলোমিটারের বেশি।
জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ এবং ক্রিকেট অপারেশন্সের কয়েকজন লম্বা এই সূচি এবং ভ্রমণক্লান্তি নিয়ে এখন থেকেই বেশ চিন্তিত। টানা ম্যাচ, জেট ল্যাগ এবং ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট সামলে বাংলাদেশ দলকে পারফর্ম করতে হবে মাঠে। গুঞ্জন আছে, সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিশ্রাম নিশ্চিত করতে কয়েকজন নতুন মুখও আসতে পারেন সামনের এই সময়ে।




