রোববার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবশেষ নির্বাচনে অস্বচ্ছতা ও অনিয়ম অভিযোগে গঠন করা তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এদিকে নির্বাচনের ছয় মাসের মধ্যেই পদত্যাগ করেছেন সাত জন পরিচালক। গত শনিবার বিসিবির বৈঠক চলার সময়ে পদত্যাগ করা পরিচালক ফায়াজুর রহমান মিতু এখন টিভির মুখোমুখি হয়ে জানান চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য।
বিসিবির সাবেক পরিচালক ফায়াজুর রহমান মিতু বলেন, ‘সিনক্রোনাইজের অভাব রয়েছে। এমনও দেখা গেছে যেখানে যার এখতিয়ার নেই সেও এসে কাজ করছেন।’
সিসিডিএমের ভাইস চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে আসা সদ্য সাবেক এই পরিচালক জানালেন, বোর্ডের সুষ্ঠু পদক্ষেপের অভাবেই আয়োজন করা যাচ্ছে না ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলো। ক্লাব সংগঠকদের একজন মিতু মনে করেন, বোর্ডের অধীনে ক্লাব ও বিসিবির দ্বন্দ্ব খুব দ্রুতই মিটিয়ে মাঠে ডিপিএল চালু করাটা বড্ড কষ্টসাধ্য হবে।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আকাশে তাকালে মেঘ দেখলে তো বোঝা যায় না বৃষ্টি আসবে কিনা। এটি আপনি ধ্রুব তারার মতো সত্য হিসেবে ধরে নিতে পারেন যে কেউ খেলবে বা রাজি হবে মনে হয় না।’
এদিকে বোর্ডের বিপরীতে নির্বাচন করতে গিয়েও শেষ মুহূর্তে বয়কট করেছিলেন পূর্বে সিসিডিএমের দায়িত্বপালন করা সাব্বির আহমেদ রুবেল ও বেশিরভাগ ক্লাব সংগঠক। তিনি জানান, এ বোর্ডের এমন পরিণতির কথা তারা আগেই আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। বিসিবির সবশেষ নির্বাচনে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার সরাসরি প্রভাব ছিলো বলেও দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্লাব সংগঠন সাব্বির আহমেদ রুবেল বলেন, ‘এ ধরনের প্রভার উনি বিস্তার করে এসেছেন দেখেই ওনার কাছে মনে হচ্ছে আমি এটি করেছি, এখনও এটিই হচ্ছে। উনি যদি সৎ থাকতেন বা ওনার কর্মকাণ্ড যদি সৎ থাকতো তাহলে তদন্ত কমিটির সামনে এসে ওনার কথা বরার সাহস থাকতো। এ সৎ-সাহস উনি তৈরি করতে পারেননি।’
সব মিলিয়ে টালমাটাল দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ভবিষ্যৎ। যদিও মাঠের ক্রিকেটে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজ নিয়েই আপাতত তোড়জোড় চালাচ্ছেন লিটন-শান্তরা।





